মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে : স্পীকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পোস্টার ছাপিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ না করতে এনসিপিকে রিজভীর সতর্কবার্তা ফিফাকে নথিপত্র সংরক্ষণের আল্টিমেটাম দিল উয়েফা ‘বিশ্ব পরিস্থিতি যাই হোক, বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন’ ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল মিসর পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ মাঝেমধ্যে উঁকি দিলেও কিছুই করার মুরোদ নেই’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৭০ বছর পূর্ণ করল কিংবদন্তি চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’

মামলায় ছেলের পক্ষে লড়তে আইন শিখলেন ৯০ বছরের মা

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
সংগৃহীত ছবি | উত্তরা নিউজ

চীনের পূর্বাঞ্চলীয় ঝেজিয়াং প্রদেশের ঝোউশান মিউনিসিপাল ইন্টারমিডিয়েট কোর্টে ৩০ জুলাই এক অভিনব দৃশ্য দেখা যায়। ১১৭ মিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) চাঁদাবাজি মামলার এক আসামির পক্ষে নিজে আদালতে দাঁড়ান তার ৯০ বছর বয়সী মা।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম হুয়াশাং নিউজের খবরে বলা হয়, আসামি লিন (৫৭) ২০২৩ সালের এপ্রিলে গ্রেপ্তার হন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি স্থানীয় এক উদ্যোক্তা হুয়াংয়ের কাছ থেকে চাঁদাবাজির মাধ্যমে ১১৭ মিলিয়ন ইউয়ান হাতিয়ে নেন।

২০০৯ সালে হুয়াং চীনের শীর্ষ ধনী ১০০ জনের একজন ছিলেন, যার সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৮ বিলিয়ন ইউয়ান (১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

লিন ও হুয়াং একসঙ্গে গ্যাস উৎপাদন ব্যবসা করতেন। তবে হুয়াং প্রায়ই সময়মতো অর্থ প্রদান করতেন না, ফলে লিনের কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।

২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে লিন ও তার হিসাবরক্ষক হুয়াংয়ের কর ফাঁকির তথ্য কর কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মোট ১১৭ মিলিয়ন ইউয়ান আদায় করেন বলে অভিযোগ।

২০২৩ সালের শুরুর দিকে হুয়াং পুলিশে অভিযোগ করেন, যার পর লিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

লিনের মা হে, ছেলের অনুপস্থিতি সহ্য করতে না পেরে গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নিজেই আদালতে তার পক্ষে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন। পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও তিনি নিজের ইচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নেন। নাতনির ভাষায়, ‘আমার দাদি খুব জেদি। তিনি অন্যের পরামর্শ শোনেননি।’

লড়াইয়ের প্রস্তুতিতে হে নিজে ক্রিমিনাল ল এবং ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ল-এর বই কিনে পড়াশোনা শুরু করেন। প্রতিদিন আদালতে গিয়ে মামলার নথি অধ্যয়ন করেন তিনি।

লিনকে হাতকড়া পরা অবস্থায় আদালতে আনা হলে, হে কিছুক্ষণ চুপচাপ তাকিয়ে ছিলেন। কান্না আটকানোর চেষ্টা করছিলেন।

মামলায় সহায়তার জন্য লিন একজন আইনজীবীও নিয়োগ করেন। আদালতে দীর্ঘ সময় কাটানোর পর হে অসুস্থ বোধ করেন। আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা অ্যাম্বুল্যান্স থেকে ডাক্তাররা এসে তার শারীরিক পরীক্ষা করেন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

তবে হে আদালত ছেড়ে যেতে রাজি হননি। ঝোউশান আদালতে মামলার শুনানি এখনো চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102