মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
টঙ্গীতে চুরির অভিযোগে দুই ভাইকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশুদের সুরক্ষায় ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না-খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির ৬ষ্ঠ বৈঠক অনুষ্ঠিত এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের মধ্যে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ন্যায় বিচার চাইলেন ত্রাণমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি গ্রুপের সঙ্গে ডেপুটি স্পিকারের সাক্ষাৎ মৎস্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি অপচয় বন্ধ করতে হবে

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ৭ হাজার মেগাওয়াট অর্জন সম্ভব : বিইআরসি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সহায়তা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

আহমেদ জানান, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোও সুবিধা পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে পারবে, কারণ সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ সংশোধনের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য রয়েছে। বর্তমানে দেশের স্থাপিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ১,৭৮১.০৯ মেগাওয়াটে।

এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ২৬টি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ১৭২ মেগাওয়াট। এ ছাড়া ১৫টি নবায়নযোগ্য প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া চলছে, যেগুলোর মোট ক্ষমতা ৬৬৫ মেগাওয়াট এবং ২০২৯ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি সমর্থনে জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত সম্প্রসারণে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি নীতি স্থিতিশীলতা, গ্রিড আধুনিকায়ন এবং শক্তি সঞ্চয় প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ প্রয়োজন।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান মাত্র ২.৩ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ।

তিনি আরো বলেন, জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যদি সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, লিথিয়াম ব্যাটারি ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর ও শুল্ক মওকুফের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়, তবে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের খরচ ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমানো সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102