সরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৪ হাজার ৪৩৩টি, যা মোট ভোটের প্রায় ৬৮ দশমিক ৪ শতাংশ। বিপরীতে ‘না’-এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ১৮৯টি, অর্থাৎ প্রায় ৩১ দশমিক ৬ শতাংশ।
সরকারি ফলাফল অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৮ লাখ ৪ হাজার ৪৩৩টি, যা মোট ভোটের প্রায় ৬৮ দশমিক ৪ শতাংশ। বিপরীতে ‘না’-এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৭১ হাজার ১৮৯টি, অর্থাৎ প্রায় ৩১ দশমিক ৬ শতাংশ।
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে ‘না’ ভোটের সংখ্যা সর্বাধিক। ৮০ হাজার ৯৬৬ ভোটার ‘না’ ভোট দিয়েছেন, যেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৮। দক্ষিণাঞ্চলের এই আসনে ‘না’ ভোটের পরিমাণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে চাঞ্চল্যকর।
এবারের গণভোটে কিছু ভোটার ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ সিলের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি প্রকাশ করেছেন। প্রার্থীরা বা দলীয় নেতারা ভোটারদের কাছে গণভোটের গুরুত্ব বা তা থেকে দেশের প্রাপ্ত সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে, ১১ লাখ ৭৫ হাজার ৬২২ ভোটের মধ্যে ১ লাখ ৫ হাজার ২৪২ ভোট বাতিল হয়েছে, যা প্রায় ৯ শতাংশ।
নির্বাচন বিশ্লেষক রফিকুল আলমের মতে, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে ‘না’-র বিপুল ভোটকে তারা এক ধরনের ‘নীরব ভোট বিপ্লব’ হিসেবে দেখছেন। সমাজের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী এবং শিক্ষার আলো থেকে দূরে থাকা মানুষকে লক্ষ্য করে ‘না’ ভোটের প্রচারণা চালানো হয়েছে।
বরিশাল-৫ এর উদাহরণ টেনে রফিকুল আলম বলেন, ‘অতীতে কখনো এই সদর আসনে ইসলামী আন্দোলন ৩০ হাজার ভোট অতিক্রম না করা দল, এবার সেই দলের প্রার্থী ৯৫ হাজার ভোট পেয়েছেন। এছাড়া অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে বিএনপির কিছু কর্মী দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।’