বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দলের বৈঠক দুই লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ ঘাটে নোঙর করেছে – চীফ হুইপ জ্বালানি শেষ হওয়ায় মাঝপথে বন্ধ দূরপাল্লার বাস নতুন শ্রমবাজার নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী দেশে পেপাল চালু করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নে কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী ভূমি অফিসের দুর্নীতির লাগাম টানতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানালেন ভূমিমন্ত্রী কবিতার রঙে নতুন বছরকে বরণ করল ‘স্বরকল্পন আবৃত্তিচক্র’ ফতুল্লায় বিএনপি নেতার মামলায় যুবদলের সভাপতি-সেক্রেটারি গ্রেফতার

বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু ও ডেমারেজ মওকুফের দাবি বিজিএমইএ’র

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি টানা ছয়দিন কর্মবিরতির ফলে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ পণ্যজট। এই সমস্যা নিরসনে কাস্টমস ও বন্দরের সব কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা ও ডেমারেজ চার্জ বা কন্টেইনার অবস্থানকালীন বাড়তি মাশুল মওকুফের দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই দাবি জানান বিজিএমইএ’র সহসভাপতি সেলিম রহমান।

​বিজিএমইএ জানায়, নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার ইস্যুকে কেন্দ্র করে শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনগুলোর আন্দোলন ও কর্মবিরতির কারণে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্দরের স্বাভাবিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এর ফলে বন্দরে অস্বাভাবিক পণ্যজট তৈরি হয়েছে, যা পোশাক শিল্পের সরবরাহ চেইনকে সংকটে ফেলেছে। 

​চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তৈরি পোশাক শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ন খাত। নির্দিষ্ট ‘লিড টাইম’ এর মধ্যে পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। নির্ধারিত সময়ে পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে রপ্তানিকারকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ভবিষ্যতে অর্ডার হারানোর ঝুঁকিতে পড়েন।

কর্মবিরতির কারণে অনেক কারখানার উৎপাদন ও চালান কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

​বিজিএমইএ’র দাবিগুলো হলো— জমে থাকা পণ্য দ্রুত খালাসের জন্য কাস্টমস ও বন্দরের সংশ্লিষ্ট সব শাখা ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা, ৩০ জানুয়ারির পর থেকে ডেলিভারি নেওয়া আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো ডেমারেজ চার্জ বা বিলম্ব মাশুল আদায় না করা এবং বন্দরে আটকে থাকা কাঁচামাল দ্রুত খালাসে বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান।

​চিঠিতে সেলিম রহমান বলেন, পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ার পেছনে আমদানিকারকদের কোনো গাফিলতি ছিল না। শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণেই এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

তাই ব্যবসায়ীদের ওপর এই আর্থিক ক্ষতির দায় চাপানো যৌক্তিক নয়। রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের আস্থা বজায় রাখতে অতিদ্রুত এই দাবিগুলো বাস্তবায়নে এনবিআর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102