মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:

‘নীরবে পরিশ্রম করো, সাফল্যই তোমার হয়ে কথা বলবে’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

মৌসুম বদলালেও হ্যারি কেইন ছিলেন আগের মতোই। নিজের কাজটা করে যাচ্ছিলেন বছরের পর বছর। কিন্তু রেকর্ডের পর রেকর্ড গোল করেও মুখে ছিল না হাসি। থাকবে কী করে?
ব্যক্তিগত-দলীয় কোনো পুরস্কারই ধরা দিচ্ছিল না তার কাছে। তবে কোনো সময়ের জন্যও হতাশ হয়ে পরিশ্রম থামিয়ে দেননি কেইন। একটা সময় তাই ট্রফির খোঁজে লিগ বদলালেন তিনি।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ছেড়ে নাম লেখালেন বুন্দেসলিগায়। কিন্তু টটেনহাম থেকে বায়ার্ন মিউনিখে গিয়েও সাফল্য ধরা দিচ্ছিল না তার কাছে।
উল্টো ২০২৩ সালে যখন কেইন যোগ দিলো বায়ার্নে সেবার কোনো শিরোপাই জিতল না জার্মান ক্লাব। অথচ, তার আগের মৌসুমে বুন্দেসলিগার চ্যাম্পিয়ন ছিল বাভারিয়ানরা।

তবে ২০২৪-২৫ মৌসুমে ভাগ্যদেবী মুখ তুলে তাকান। বুন্দেসলিগার ট্রফি দিয়ে শিরাপা খরা ঘুচান কেইন। পরে আরো কয়েকটি মেজর শিরোপা নামের পাশে যোগ করেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক।
তবে ক্যারিয়ারের বড় অর্জন গতকাল রাতে জুটেছে কেইনের কপালে। লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তার।

ফুটবলের অস্কার খ্যাত ব্যালন ডি’অর জিতেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে জিতেছেন এই পুরস্কার। তাতে ঘুচিয়েছে ২৫ বছর ইংল্যান্ডের কোনো খেলোয়াড়ের ব্যালন ডি’অর জিততে না পারার খরা।

ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেয়ে দারুণ খুশি কেইন। তাই বলে আত্মাহারা হচ্ছেন না তিনি। ট্রফি জয়ের পর স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তার কঠিন সময়ের মুহূর্তকে। তাই তো সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘নীরবে কঠোর পরিশ্রম করো, সাফল্যকেই তোমার হয়ে কথা বলতে দাও।’

এর আগে কেইন ডিএজেডএন টিভিকে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনুভূতি প্রকাশ করেন এভাবে, ‘অনেকেই হয়তো ভাবেননি, আমি এত দূর আসতে পারব। সত্যি বলতে, আমিও ভাবিনি এতটা পথ পাড়ি দিতে পারব। ক্যারিয়ারের শুরুতে অনেক উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তখন কেউ আমাকে এমন একজন হিসেবে দেখেনি, যে ভবিষ্যতে সুপারস্টার হবো। এখনকার অনেক খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে যেমনটা ভাবা হয়।’

কেইন অবশ্য বিশ্বাস হারাননি। তার কণ্ঠেই ফুটে উঠেছে, ‘আমাকে ধৈর্য ধরে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। অনেক সময় লড়াইটা ছিল নিজের মনের সঙ্গে। সেই লড়াইয়ে আমাকে জিততে হয়েছে। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হয়েছে, দেখাতে হয়েছে দৃঢ় সংকল্প। আমার মনে হয়, এই অভিজ্ঞতাগুলো আমাকে মাটির কাছাকাছি রেখেছে। সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পরও যেন উন্নতি করতে পারি, নিজেকে আরও ভালো করে তুলতে পারি—সেই তাগিদ জুগিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102