বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২য় বৈঠক অনুষ্ঠিত সম্পদ সীমিত হলেও শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী শিক্ষাঙ্গনে মব-সহিংসতা : তদন্তে আসছে জাতিসংঘ আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে দুর্গাপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত কাশেম গ্রেপ্তার ফ্যাসিস্ট হাসিনা যা বলে তা কখনো করে না : আমানউল্লাহ আমান মাঠে মাঠে সতেজ আগাম সবজি, বন্যার ক্ষতি কাটানোর স্বপ্ন মেসির বিদায়ী ভাষণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এনজো ড্রোন হামলা ঠেকাতে পাকিস্তানের ভরসা মাছ ধরার জাল এই মাঠ ছাড়তে চাই না, শান্তি নিয়ে বিদায় নিচ্ছি: মেসি

মেসির বিদায়ী ভাষণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এনজো

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

লিওনেল মেসির বিদায়ী মুহূর্তে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না এনজো ফার্নান্দেজ। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের পর আর্জেন্টাইন অধিনায়ক যখন মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন তার পেছনে দাঁড়িয়ে অঝোরে কাঁদছিলেন এনজো। মেসির বিদায়ের সেই দৃশ্য মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

মেসির সঙ্গে এনজোর সম্পর্কটা শুধু সতীর্থের নয়, বরং এক প্রজন্মের স্বপ্নপূরণের গল্পও। ২০১৬ সালে মেসি যখন জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন এনজো ছিলেন মাত্র ১৫ বছরের কিশোর। তখনই নিজের আইডলকে সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ জানিয়ে আবেগঘন চিঠি লিখেছিলেন তিনি।

সেই চিঠিতে এনজো লিখেছিলেন, ‘আপনি যখন বলেছিলেন যে চলে যাচ্ছেন, আমার বড্ড কষ্ট হয়েছিল। তখন আমি ছোট ছিলাম, আর মনে মনে হিসেব কষছিলাম আপনার বয়স আর আমার বয়সের পার্থক্য নিয়ে, কোনোদিন আপনার সঙ্গে ফুটবল মাঠে নামার সুযোগ পাব কি না!’

সময়ের সঙ্গে সেই কিশোরই একদিন মেসির সতীর্থ হয়েছেন, একই জার্সিতে বিশ্বকাপ জিতেছেন। তাই মেসির বিদায়ের মুহূর্তটি এনজোর জন্য ছিল আরও বেশি আবেগের।

মেসির ফুটবলীয় প্রতিভার পাশাপাশি তার ব্যক্তিত্ব ও মানবিক ব্যবহারের কথাও স্মরণ করেছেন এনজো। তিনি বলেন, ‘আমি আসার পর থেকে আপনি আমার সঙ্গে যে ব্যবহার করেছেন, তার জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।’

মেসির সঙ্গে একই মাঠে খেলার স্বপ্ন নিয়ে জাতীয় দলে এসেছিলেন এনজো। কিন্তু মেসির কাছ থেকে শুধু মাঠের অভিজ্ঞতাই নয়, পেয়েছেন আপন করে নেওয়ার অনুভূতিও। এনজোর ভাষায়, ‘আমি এখানে এসেছিলাম আমার আইডলের সঙ্গে মাঠ ভাগ করে নেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু তার বদলে আমি এমন একজনকে পেয়েছি, যিনি প্রথম মুহূর্ত থেকেই আমাকে এই দলেরই একজন হিসেবে অনুভব করিয়েছেন।’

শেষে নিজের ছোটবেলার সেই স্বপ্নের কথা মনে করিয়ে এনজো মেসিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমি কত ভাগ্যবান ছিলাম, লিও! সেই ছোট বাচ্চাটা যে হিসেব কষছিল, কত ভাগ্যবান ছিল সে! আমার সঙ্গে এই আচরণ করার জন্য, আমাকে সবকিছু শেখানোর জন্য এবং আপনার গল্পের একটি অংশ আমাকে হতে দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

মেসির জাতীয় দলের বিদায়ের রাতে তাই আর্জেন্টিনার জয়ের পাশাপাশি আলাদা করে মনে থাকবে এনজোর কান্নাও। যে কিশোর একসময় টেলিভিশনের পর্দায় নিজের আইডলকে দেখতেন, সেই এনজোই আজ তার পাশে দাঁড়িয়ে দেখলেন মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102