ঢাকায় সন্ধ্যার দিকে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বন্দর রক্ষা ও করিডোরবিরোধী আন্দোলন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), চট্টগ্রাম কন্টেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) এবং ওভারফ্লো ইয়ার্ড ১৫ বছরের জন্য বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে বন্দর রক্ষা ও করিডোরবিরোধী আন্দোলন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুরানা পল্টন মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়ে কদম ফোয়ারা এলাকা ঘুরে পুনরায় পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।
মিছিল পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশে বন্দর রক্ষা ও করিডোরবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক ডা. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বন্দর রক্ষা ও করিডোর বিরোধী আন্দোলনের সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-বিসিএলের সভাপতি গৌতম চন্দ্র শীল, গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (জি-স্কপ)-এর যুগ্ন আহ্বায়ক ফয়েজ হোসেন, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান কৌশলগত স্থাপনা। দীর্ঘ ১৫ বছরের জন্য এনসিটি ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো বিদেশি অপারেটরের হাতে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং দেশের সার্বভৌম অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে দুর্বল করবে। জনগণের মতামত উপেক্ষা করে জাতীয় সম্পদ বিদেশি নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার যে কোনো উদ্যোগ দেশবাসী মেনে নেবে না।
সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। জাতীয় স্বার্থ ও বন্দর রক্ষার প্রশ্নে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলারও আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. ফজলুর রহমান, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্নু, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কবির, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি)-এর কোষাধ্যক্ষ কাজী রুহুল আমিন, পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের অন্যতম নেতা অনন্ত ধামাই প্রমুখ।