শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
উত্তরায় ‘আলোকিত কুরআন’ কর্মসূচিতে ১৫ শিক্ষার্থীকে কুরআন ও সনদ প্রদান উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরে ৩০০ গাছ রোপণ, সবুজ পরিবেশ গড়ার উদ্যোগ নজরুলের মানবতা, সাম্য ও দেশপ্রেমের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বর্তমান সরকার পরামর্শ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্পীকার মোস্তাক আহমেদের সাক্ষাৎ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে উপকমিটি ক্যাকটাস প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য ঢাকা মেডিকেলে চীনের সহযোগিতায় ১০০টি ছানি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

কিশোরকে গলা টিপে হত্যা, ১৯ বছর পর মামা-ভাগ্নের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভোলা সদর উপজেলার আলোচিত কিশোর রেদোয়ান রাসেল হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙাশিয়া গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে মো. সুজন ও তার মামা মো. ইলিয়াস।

প্রায় ১৯ বছর আগে ২০০৭ সালে মোবাইল বিক্রি না করায় তাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ ১৯ বছর পর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতে এ রায় ঘোষণা করো ভোলা জেলা ও দায়রা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।
আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে কিশোর রেদোয়ান রাসেল তার বাবার হাওলাদার বাজারের মুদি দোকানে অবস্থান করছিল, তার সঙ্গে মায়ের কেনা নোকিয়া ১১০০ মডেলের একটি মোবাইল ফোন ছিল। এ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলার কথা বলে প্রতিবেশী সুজন তাকে দোকান থেকে ডেকে নিয়ে যায়।

এরপর থেকে রেদোয়ান নিখোঁজ ছিল। পরিবার ভেবেছিল রেদোয়ান হয়তো তার পার্শ্ববর্তী নিকটাত্মীয়দের বাড়িতে গেছে। প্রায়ই সে আত্মীয়দের বাসায় যেত, কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা যায় সে কারো বাড়িতে যায়নি। নিখোঁজের পরদিন পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন।

ঘটনার দুই দিন পর ৩০ ডিসেম্বর স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, দক্ষিণ চরপাতা দারোগার খালের পাশে সিদ্দিক মালের বাড়ির সামনে এক কিশোরের মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহ দেখে পরিবারের সদস্যরা রেদোয়ানকে শনাক্ত করেন। মরদেহের মুখ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় ২০০৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর রেদোয়ানের বাবা আব্দুল হক বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তাগণ সুজন ও ইলিয়াসকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে ২০০৯ সালের ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

পরে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে।
এ তথ্য নিশ্চিত করে ভোলা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. তৈয়ব বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞ আদালত আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এতে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছি। সামান্য একটি মোবাইলের জন্য হত্যাকাণ্ড—এটি সামাজিক অবক্ষয়ের নমুনা ও নির্মম হত্যাকাণ্ড এটি। ভুক্তভোগীকে গলা টিপে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে খালে ফেলে দিয়েছিল আসামিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102