দকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে টেকনাফ অঞ্চলে বিশেষ জোন স্থাপন ও সীমান্তপথে মাদকের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মাদক পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসহ মিয়ানমার ও ভারত সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে গোয়েন্দা তৎপরতা ও নজরদারি আরো জোরদার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড, পুলিশ, র্যাব এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে তথ্য আদান-প্রদান ও যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
মাদকের ধরন ও পরিমাণভেদে কারাদণ্ড অর্থদণ্ডসহ বিভিন্ন শাস্তির বিধান রয়েছে। মাদক কারবারি, চোরাকারবারি এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। মাদক অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
ডিএনসি জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে সারা বছরই নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চলছে। মাদক উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, বিপণন ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে অধিদপ্তর বদ্ধপরিকর। অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে।
ফেনীতে এতিম শিশুদের মাঝে বসুন্ধরা শুভসংঘের মৌসুমি ফল বিতরণ
মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন—এই তিনটি ক্ষেত্রকে সমান গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা রয়েছে। সরকারের নীতিগত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।