রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
আয়ুর্বেদিক ওষুধের আধুনিক সংরক্ষণ ও প্যাকেজিং ব্যবস্থা নিয়ে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-পুতিন কাতার থেকে অবরুদ্ধ ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান শিশুকে অপহরণের পর হত্যা, ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড শিশুকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার পর জানায় ক্রাইম পেট্রোলে আসক্ত কিশোরী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে এখন সবচেয়ে বড় সুযোগ হচ্ছে প্রযুক্তিকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো। তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচে, নীলফামারীতে বন্যার শঙ্কা নেই মিছিলের সময় আ. লীগের ১০ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশে দিল ছাত্রদল মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর

উত্তরা নিউজ প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’-এর সমাপনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, শব্দদূষণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে—এই বিষয়টি জনগণকে বুঝাতে হবে। শব্দদূষণের কারণে মাথাব্যথা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মনোযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং অনিদ্রাসহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, একজন চালক যে হর্ন ব্যবহার করছেন, সেটিই তার নিজের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র একটি প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত ও সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি শব্দদূষণমুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কর্মশালায় আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, বিভিন্ন এলাকাকে পাইলট ভিত্তিতে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করে তা বাস্তবায়নে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের সড়কের লা মেরিডিয়ান হোটেল থেকে উত্তরা স্কলাস্টিকা সেকেন্ডারি স্কুল পর্যন্ত এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয়, আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকাসহ দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে ‘নীরব এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রায়হান কাওছার, বিআরটিএ’র পরিচালক (অপারেশন) মীর আহমেদ তারিকুল ওমর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, পরিবেশ , বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালা শেষে মন্ত্রী ‘Survey reports on Noise Level Measurement in 64 Districts Town’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102