শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
ওয়াশরুমে ভিডিও ধারণের ঘটনায় খুবিতে প্রশাসনের জরুরি সভা, ৭ দফা সিদ্ধান্ত মদনে জেন্ডার ইকুয়ালিটি ফোরামের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড’-বিতরণ কার্যক্রমে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ করা হচ্ছে গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে স্পিকার-ইসিকে জামায়াতের চিঠি বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতে স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নে জিআরআই-বিজিএমইএ চুক্তি গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করল জামায়াত জীবন্ত মানুষকে খাচ্ছে পোকা’ সংবাদের সেই নারী, এমপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের উদ্যোগে সুস্থ হয়ে বৃদ্ধাশ্রমে সিলেটে হামের উপসর্গে ৫ দিনে ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ১০৭ অস্ত্র মামলায় আনিসুল হকের চার্জ শুনানি পিছিয়েছে

কোচিং শিক্ষকের লালসার শিকার ৯ বছরের এক শিশু

অনলাইন ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ৯ বছরের এক নাবালিকা শিশুকে ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

উপজেলার সুন্দর নাউয়ার কোট গ্রামে অবস্থিত ‘মা ক্যাডেট কোচিং সেন্টার’-এর পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন সাগরের (৩৩) বিরুদ্ধে এই পৈশাচিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির মায়ের দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে অভিযুক্ত দেলোয়ারের স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকার সুযোগে এই নারকীয় তাণ্ডব শুরু হয়। কোচিং ছুটির পর ওই নাবালিকাকে প্রলোভন দেখিয়ে ঘরে আটকে রাখতেন দেলোয়ার। এরপর গলায় চাকু ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে এবং মুখ চেপে ধরে দিনের পর দিন চলত এই পাশবিকতা।

সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল বিকাল ৪টার দিকে কোচিং ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে ডেকে নেন দেলোয়ার। সেখানে পুনরায় ধর্ষণের উদ্দেশ্যে স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত ও নির্যাতন শুরু করলে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দেলোয়ার। স্থানীয়রা ঘরে ঢুকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

দীর্ঘ দুই মাস ধরে এই ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশুটি প্রায় নির্বাক হয়ে পড়েছিল।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেলোয়ার হোসেন সাগর একজন পেশাদার অপরাধী। এর আগে ২০২২ সালে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় মা শিক্ষা নিকেতন কোচিং সেন্টার পরিচালনার সময় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে তিনি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। ৬ মাস জেল খেটে জামিনে বের হয়ে ২০২৩ সালের দিকে এলাকায় ফিরে আসে এবং পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড শুরু করে।

স্থানীয়দের দাবি, ইতোপূর্বেও তিনি এলাকায় একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষুব্ধ হয়ে অবিলম্বে ধর্ষকের ফাঁসি দাবি করেছেন। শিশুটির বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আল্টিমেটাম দিয়েছেন যে, দ্রুত বিচার না হলে তারা রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামবেন।

পলাতক থাকায় অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পিতা মফিজুল ইসলাম বলেন, এসব তার ছেলের কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ষড়যন্ত্র।

ইতোপূর্বে ধর্ষণের মামলায় কারাবাসের বিষয় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আগের কথা বাদ দেন। এখনকার ঘটনা মিথ্যা।

মামলা তদন্ত কর্মকর্তা পীরগাছা থানার এসআই সুজন জানান, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পীরগাছা থানার ওসি একেএম খন্দকার মহিব্বুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102