প্রথমত, ছোট কিন্তু নিয়মিত আমলের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। প্রতিদিন অল্প কোরআন তিলাওয়াত, নফল সালাত ও যিকির। এই ধারাবাহিকতা ঈমানকে জীবিত রাখে।দ্বিতীয়ত, নেক সঙ্গ গ্রহণ করা। যারা আল্লাহর স্মরণ করিয়ে দেয়, এমন মানুষের সঙ্গে থাকা ঈমানকে শক্তিশালী করে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “তুমি নিজেকে তাদের সঙ্গে রাখো, যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের প্রতিপালককে ডাকতে থাকে…” (সুরা কাহফ, আয়াত : ২৮)তৃতীয়ত, গুনাহ থেকে সচেতনভাবে দূরে থাকা। কারণ গুনাহ হৃদয়কে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে এবং ঈমানকে দুর্বল করে দেয়।পরিশেষে বলা যায়, রমজান কোনো সমাপ্তি নয়; বরং এটি একটি সূচনা; একটি নতুন, পরিশুদ্ধ জীবনের সূচনা। প্রকৃত সফল সেই ব্যক্তি, যে রমজানের শিক্ষা সারা বছর ধরে জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের অর্জন সংরক্ষণ করার তাওফিক দান করুন।