বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

জেনে নিন আপনার সুস্থ থাকার ‘বীজ’ মন্ত্র কোনটি

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সুস্থ থাকার জন্য কোনো একটি বীজকে সেরা না বলে, সবগুলোর সমন্বয় বা ‘মিক্সড সিড’ খাওয়াকেই আমি আসল ‘বীজ’মন্ত্র মনে করি। তবে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি বেছে নিতে পারেন সেরাটি। বন্ধু ও সহকর্মীর পরামর্শে অনেকেই মুঠো মুঠো বীজ খেতে শুরু করেন। কিন্তু আপনার শরীরের জন্য সেগুলো আদৌ ভালো কিনা, বুঝবেন কীভাবে?

সকালে চিয়া ভেজানো পানি। ব্রেকফাস্টে ফ্ল্যাক্স সিড। দুপুর-বিকালে কুমড়ার বীজ আর সূর্যমুখী ফুলের বীজ মিশিয়ে স্বাস্থ্যকর একটি স্ন্যাক্স। ব্যস! সুস্থ থাকার এই বীজ‘মন্ত্র’ আপনি প্রতিদিনই জপ করেন।

ফাইবার, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং প্রয়োজনীয় খনিজের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে এ বীজগুলো। বন্ধুর পরামর্শে খেতে শুরু করেন। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে— কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখী বা ফ্ল্যাক্স, চিয়ার মধ্যে কোনটি সবচেয়ে ভালো? পুষ্টিবিদরা চোখ বন্ধ করে বলবেন— সবগুলোই ভালো। কিন্তু আপনার শরীরের জন্য সেগুলো আদৌ ভালো কিনা, তা বুঝবেন কী করে?

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ ইন্দ্রানী ঘোষ বলেন, ‘বীজ দেখতে ছোট কিন্তু পুষ্টির পাওয়ার হাউস। আপনার শরীরের জন্য কোনটি কার প্রয়োজন, তা বোঝার জন্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন। না জেনে, না বুঝে মুঠো মুঠো বীজ খেয়ে ফেলা কাজের কথা নয়। প্রতিটি বীজের গুণাগুণ আলাদা। তাই চিকিৎসক কিংবা পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া এ ধরনের বীজ খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।

চিয়া সিডস

দেখতে ছোট, কিন্তু পানিতে ভেজালে এই বীজই ফুলে-ফেঁপে বিশালাকার ধারণ করে। চিয়ায় রয়েছে ফাইবার, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। পুষ্টিবিদরা বলছেন, ঘন ঘন খিদে পাওয়ার বাতিক রুখে দিতে পারে চিয়া। সারা দিন ধরে কাজের এনার্জিও জোগান দিতে পারে এ বীজ।

কুমড়ার বীজ

পাম্পকিং কিংবা কুমড়ার বীজ রোগপ্রতিরোধ করতে সক্ষম। এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, জিংক ও আয়রন রয়েছে। তাই শরীরে খনিজের ঘাটতি পূরণের জন্য ডায়েট কুমড়ার বীজ রাখা যেতেই পারে। পেশির দুর্বলতা, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং অনিদ্রাজনিত সমস্যা কাটিয়ে তুলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে কুমড়ার বীজ।

ফ্ল্যাক্স সিডস

হার্ট ও হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করাই যদি আপনার লক্ষ্য হয়ে থাকে, সে ক্ষেত্রে তিসি বা ফ্ল্যাক্স সিডস খেতে পারেন। উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং লিগন্যান্স রয়েছে তিসিতে। প্রতিদিন সকালের জলখাবারে তিসি গুঁড়ো খেতে পারেন। আবার সন্ধ্যায় অল্প খিদে পেলেও রোস্টেড ফ্ল্যাক্স সিডস খাওয়া যায়। হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতেও তিসি খেতে পারেন।

সূর্যমুখীর বীজ

ভিটামিন ই ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস হলো— সূর্যমুখী ফুলের বীজ। ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায় এ বীজের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া সানফ্লাওয়ার সিডে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলেও ডায়েটে এ বীজ যোগ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102