জামায়াতের আমির দলের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার, এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামনুল হকের ফলাফল নিয়ে কথা বলেন। এসব বিষয়ে সুষ্ঠু বক্তব্য এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান ডা. শফিকুর রহমান।
জামায়াতের আমির দলের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার, এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামনুল হকের ফলাফল নিয়ে কথা বলেন। এসব বিষয়ে সুষ্ঠু বক্তব্য এবং কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি আরো বলেন, বেশ কিছু জায়গায় হঠাৎ ফলাফল বন্ধ। এগিয়ে থাকলেও হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিদেশি পর্যবেক্ষকরা যা দেখেছে তা তারা তুলে ধরবেন জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরাও তুলে ধরব।
ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ চান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ভদ্রতা ও ইতিবাচক আচরণকে দুর্বলতা মনে করলে ভুল করবেন। কারণ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি জানানোর পরেও বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা হচ্ছে। এটা ফ্যাসিবাদী লক্ষণ। ফ্যাসিবাদ আবারও দেখা দিলে তা দুর্ভাগ্য। এ দায় তাদের ওপর আসবে। ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে থাকতে হলে ঐক্য নিয়েই থাকতে হবে। সংবিধানের আলোকে সবাই সমান। সবার জন্য একই নীতি হতে হবে। যদি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে আবারও তাহলে আমরা ছাড় দেব না।
জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই, আমরা আজকে থেকে আপনাদের সঙ্গে আরো শক্তভাবে থাকব। তরুণ সমাজ বুকের রক্ত দিয়ে যা দিয়ে গেছে, যেমন দেশ চেয়েছে, আমরা যা বলেছি আগে তা বাস্তবায়ন করতে আমরা লড়ে যাব। আমাদের অবস্থান আপামর জনগণের পক্ষে। আমাদের বাধ্য করা হলে রাজপথেও আমরা নামব।
নিয়মতান্ত্রিকভাবে ১১ দলকে চলতে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। অনেকে ঋণখেলাপিকে সুযোগ দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনকে বলব— আরপিও যাদের কাভার করে না, তাদের ফলাফল স্থগিত করে এর সুরাহা করুন।
গণভোটে হ্যাঁ জিতেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে। বাস্তবায়ন না হলে আমরা কণ্ঠ চালিয়ে যাব। অনেক নিয়মবহির্ভূত কাজ করার পরও একটা দল সন্তুষ্ট হতে পারছে না, উল্টো অভিযোগ করছে। আমাদের প্রশ্ন—তারা আর কী চায়?