এরই মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা তাদের সরকারি বাসভবন ও কূটনৈতিক পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফেরত দেওয়া শুরু করেছেন।
এরই মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা তাদের সরকারি বাসভবন ও কূটনৈতিক পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফেরত দেওয়া শুরু করেছেন।
উপদেষ্টাদের কেউ কেউ বলছেন, ‘যত দিন সরকারের দায়িত্বে থাকব তত দিন লাল পাসপোর্ট কাছেই রাখব।
আবার অনেক উপদেষ্টা স্টাফদের মাধ্যমে ব্যক্তিগত নথি ও জিনিসপত্র এরই মধ্যে সরকারি দপ্তর থেকে বাসায় নিয়ে গেছেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিও সই হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে। তারা বলছেন, নতুন সরকার এলে যাতে দায়িত্ব হস্তান্তর সহজ হয় এবং সহজে সরকারের সবকিছু বুঝিয়ে দেওয়া যায়, এ জন্য সব প্রস্তুত করে রাখা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান সরকারি বাসা ছাড়ার বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন। আরো কয়েকজন উপদেষ্টাও আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সরকারি বাসা ছেড়ে দেবেন এবং কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেবেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা জানান, লাল পাসপোর্ট জমা দেওয়ার বিষয়টি হলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনাপত্তিপত্র নিয়ে নতুন পাসপোর্টের আবেদন করা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নতুন পাসপোর্ট হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কূটনৈতিক বা লাল পাসপোর্ট অকাযর্কর হয়।
এ ছাড়া লাল পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা শারমীন এস মুরশিদ, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এ ছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমও তার লাল পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
একাধিক উপদেষ্টার পিএস কালের কণ্ঠকে জানান, কোনো কোনো উপদেষ্টা এরই মধ্যে নতুন পাসপোর্ট হাতে পেয়েছেন। পাসপোর্ট পাওয়ার ‘হ্যাসল’ থেকে রক্ষা পেতেই মূলত তারা নতুন পাসপোর্টের আবেদন করেন।