পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-১ সংসদীয় আসনটিতে ১৯৯১ সাল থেকে মাত্র দুইবার বিজয়ী হয়েছিল দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।
পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানী উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-১ সংসদীয় আসনটিতে ১৯৯১ সাল থেকে মাত্র দুইবার বিজয়ী হয়েছিল দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।
এ ছাড়া জোটের কারণে এই আসনে ২০০১ সাল থেকে বিএনপি দলীয় কোনো প্রার্থী পায়নি। কিন্তু ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ার পর দেশের রাজনীতির মতো পিরোজপুরেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।
অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর হোসেনের দাবি, বিএনপি জোটে থাকার কারণেই দেলোয়ার হোসেন সাঈদী বিএনপি সমর্থকদের ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। তার বিজয়ের পেছনে বিএনপির নেতাকর্মীদের ব্যাপক অবদান ছিল। এ ছাড়া পিতার আবেগ কিংবা জনপ্রিয়তার কারণে সাধারণ ভোটাররা তার সন্তানকে ভোট দেবে, এটা ঠিক নয়।
তার দাবি, তিনি দীর্ঘসময় ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে ছিলেন। এ ছাড়া বিগত কয়েকটি নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিতে পারে নাই। যেহেতু এ বছর সুযোগ এসেছে, তাই সাধারণ ভোটাররা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করবে বলে জানান তিনি। নাজিরপুর উপজেলায় বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান খুবই শক্ত বলে দাবি করেন বিএনপির এই প্রার্থী। ফলে ওই উপজেলা থেকেও বিএনপি অনেক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবে বলে প্রত্যাশা তার।
পিরোজপুর-১ আসনে তিনটি উপজেলায় মোট ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৯৮৮ ভোটার রয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ভোটার রয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ জন।