স্থানীয় বাসিন্দা বাদশা মিয়া বলেন, দেড় দশক ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলাম আমরা। তবে এবারের নির্বাচন ভিন্ন। জুলাই বিপ্লবের পর রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ায় আওয়ামী লীগ
ভোটের মাঠে নেই। তাই অভূতপূর্ব ভোট উৎসব দেখার অপেক্ষায় মানুষ। তবে এবার আর দুর্নীতিগ্রস্ত, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত কাউকে ভোট দেবে না। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা বেশ সচেতন। তারা সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক মানুষকে মূল্যায়ন করবে।
বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ শান্তিপ্রিয়। তারা শান্তিতে থাকতে চায়। তিনি বলেন, আমি দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। সব সময় জনগণের পাশে ছিলাম। আমাদের আসনটি মূলত বিএনপির ঘাঁটি। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও নদী ভাঙন রোধসহ আধুনিক দোহার-নবাবগঞ্জ গড়তে বিএনপিকে ভোট দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট বিপ্লবে ধানের শীষ বিজয়ী হবে।
অপরদিকে, ১০ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রত্যেক পাড়া-মহল্লায় যাচ্ছি। দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শাসন দেখেছে। সাধারণ মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। এই পরিবর্তন জামায়াতে ইসলামীর হাত ধরেই হবে। এ আসনের মানুষ এবার তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককেই ভোট দেবেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজমুক্ত দোহার-নবাবগঞ্জ গড়ে তোলা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাস্তবমুখী কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উন্নয়নে যুগান্তকারী সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে। জনগণ রায় দিলে ইনসাফ ও ন্যায়ের সমাজ গঠন করব ইনশাআল্লাহ।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মেয়ে অন্তরা সিগমা হুদা বলেন, আমার বাবা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় দোহারকে ঢেলে সাজিয়ে আধুনিক দোহার গড়েছেন। দোহারবাসী তাঁকে সারাজীবন মনে রাখবে। আমার বাবার অসম্পন্ন স্বপ্ন বাস্তবায়নে দোহার-নবাবগঞ্জবাসী হরিণ প্রতীকে ভোট দিয়ে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাকে সম্মানে রাখবে ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা-১ আসনের মোট ভোটার পাঁচ লাখ ৪৫ হাজার ১৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৭৬ হাজার ৫০ জন, নারী ভোটার-দুই লাখ ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন পাঁচজন।