রাজনৈতিক অতীত ও বিতর্ক
রাজ্জাক সেলিম ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে থেকেও বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালে সহ-সভাপতি পদে থেকে উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন তিনি। ওই সময় দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে তাঁর সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হলে তিনি এলাকা ছেড়ে যান বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।এ ছাড়া সেলিমের বিরুদ্ধে সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রভাব খাটিয়ে গত ১৫ বছরে তিনি অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগে এখন পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশন কোনো অনুসন্ধান শুরু করেনি।
পরিবারের ব্যাখ্যা
সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিমের ছোট ভাই ও এলডিপির নেতা ড. সৈয়দ জহিরুল হক। তিনি বলেন, আমাদের পরিবার ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উজবেকিস্তানে গিয়েছিল এবং দেশে ফিরেছি ৩ আগস্ট। রাজ্জাক সেলিম ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাত্রাবাড়ী থানার মামলার বিষয়ে আমরা চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি জানতে পারি।সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন বরিশালের সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও একজন প্রার্থী নির্বিঘ্নে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, হলফনামায় ওই মামলার কোনো তথ্য নেই। এতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। পুরো বিষয়টি আইনি ও নৈতিক সংকটকে আরো স্পষ্ট করে তুলছে।
প্রশাসনের বক্তব্য
ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন বলেন, বিষয়টি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। খোঁজ নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।