একটি পোস্টে লরা ডোগু বলেন, ‘আমি ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছি।
একটি পোস্টে লরা ডোগু বলেন, ‘আমি ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছি।
লরা ডোগু বর্তমানে কলম্বিয়াভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলা অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলা থেকে কূটনীতিক প্রত্যাহার করে নেয় এবং কারাকাসে দূতাবাসের কার্যক্রম স্থগিত করে। চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি প্রতিনিধিদল দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমবারের মতো ভেনেজুয়েলা সফর করে।
এর আগে বুধবার মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘লরা ডোগু ভবিষ্যতে কারাকাস থেকেই নেতৃত্ব দেবেন এবং খুব দ্রুত ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক উপস্থিতি গড়ে তোলা হবে।’
এই সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসকে জানায়, দূতাবাসের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় নিজের প্রভাব ও উপস্থিতি বাড়াতে তৎপর হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশটির তেল উৎপাদনের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইতিবাচক কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি কম্পানিগুলোর জন্য তেল খাতে বিনিয়োগ সহজ করতে আইনি পরিবর্তন, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির লক্ষ্যে সাধারণ ক্ষমা আইন প্রস্তাব এবং একটি কুখ্যাত আটককেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা রয়েছে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ভেনেজুয়েলায় আটক সব মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।