উৎসবের স্বীকৃতির পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। প্রথমে চট্টগ্রামের সুগন্ধা সিনেমা হল, এরপর ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার সিনেমাস, পাশাপাশি রংপুরের শাপলা সিনেমা হলে প্রদর্শিত হয় ‘সাঁতাও’। সীমিত পরিসরে হলেও দর্শকের সামনে আসে ছবিটি।
প্রচারের ক্ষেত্রেও ছিল ভিন্ন দৃশ্য। নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীরা নিজেরাই নামেন রাস্তায়। কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাতভর পোস্টার সাঁটানো হয়। রংপুর অঞ্চলে চলে মাইকিং। বড় বাজেটের প্রচার নয়—নিজের হাতে, নিজের পায়ে হেঁটে দর্শকের কাছে পৌঁছানোর আন্তরিক চেষ্টা।
রংপুর অঞ্চলে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ‘সাঁতাও’। সেই গল্পের মাটি থেকেই এসেছে সিনেমার নামটি। সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে কৃষকের জীবনসংগ্রাম, নারীর মাতৃত্বের অনুভব এবং প্রান্তিক মানুষের সুখ–দুঃখ, হাসি–কান্নাকে ঘিরে। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইনুন পুতুল ও ফজলুল হক।
দেশ–বিদেশের নানা চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসা কুড়োনোর পর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে যেন নিজের দীর্ঘ যাত্রার সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাল ‘সাঁতাও’। পুরস্কার ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা।