আহতরা হলেন, দস্তুরদিয়া গ্রামের জাহিদ হাসানের ছেলে আবিদ হাসান রনি (২৫) ও আলিফ হাসান (২৩)। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খানের (ফুটবল প্রতীক) সক্রিয় কর্মী বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে
আহতরা হলেন, দস্তুরদিয়া গ্রামের জাহিদ হাসানের ছেলে আবিদ হাসান রনি (২৫) ও আলিফ হাসান (২৩)। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খানের (ফুটবল প্রতীক) সক্রিয় কর্মী বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যানার টানাতে গেলে প্রতিবেশী জিহাদ নামের এক যুবক তাদের বাধা দেন। এ সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী টাকা দিয়েছে এমন অভিযোগ তুলে তাদের কাছে টাকা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটির জেরে জিহাদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম করে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাশার খান বলেন, “আমার সমর্থকরা ব্যানার টানাতে গেলে তাদের বলা হয়—এটা বিএনপির এলাকা, এখানে অন্য কোনো প্রার্থীর প্রচার চলবে না। পরে কিছুটা দূরে গিয়ে ব্যানার টানানোর সময় পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ কীভাবে নিশ্চিত হবে-সেটাই বড় প্রশ্ন।”
তবে আহতদের চাচা ও জাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসাহাক মোল্লা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক নয় বলে দাবি করেছেন।
অন্যদিকে বিএনপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে ফরিদপুর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, “বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা কখনো ছুরিকাঘাতের রাজনীতি করে না। মাদকাসক্ত কেউ আমাদের কর্মী হতে পারে না।