স্থানীয়রা আরো জানায়, চলতি বছর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকায় সুজন শহিদুল, তরফপুর ইউনিয়নের তরফপুর পূর্বপাড়া এলাকায় রাখের চালায় ইলিয়াসের নামে রোকন, বাঁশতৈল ইউনিয়নে বাঁশতৈল এলাকায় শহিদুল দেওয়ান, অভিরাম এলাকায় সাহাদত হোসেন সাদাত, লতিফপুর ইউনিয়নের বান্দাচালা গ্রামে নোয়াব আলী লাল মাটি কেটে বিক্রি করছেন।
মাটি কারবারি শহিদুল দেওয়ান স্বীকার করে জানান, বাঁশতৈল এলাকায় মাটি কাটছেন তিনি। এছাড়া অভিরাম এলাকায় শাহাদত হোসেন সাদাত, তরফপুর রাখের চালা এলাকায় রোকন তার চাচা ইলিয়াসের নামে টিলার মাটি কাটছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রোকন দাবি করেন, তিনি এ বছর মাটির কারবারি করছেন না। ইলিয়াস নামের একজনের কাছে তার ভেকু মেশিন ও দুটি ড্রাম ট্রাক ভাড়া দিয়েছেন। এছাড়া তেলিনা এলাকায় সুজন ও শহিদুলের কাছেও ড্রামট্রাক ভাড়া দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় তরফপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিজ রেজা বলেন, গ্রামীণ পাকা সড়ক ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। জনগণ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন না। টিলা কাটা ও গ্রামীণ সড়কে মাটি পরিবহন বন্ধ করা প্রয়োজন।
পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর বলেন, মির্জাপুরে টিলার লাল মাটি কাটায় ২০২৪ সালে অভিযান চালিয়ে জমির মালিক ও লাল মাটি বিক্রেতাদের আসামি করে কয়েকটি মামলা করেছি। বর্তমানে মামলাগুলোর সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তারেক আজিজ বলেন, ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ভেকু মেশিন ও কয়েকটি ড্রামট্রাক আটক করে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া ইয়াসমিন বলেন, অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত মাটি কারবারিদের আইনের আওতায় আনা হবে।