সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
সব অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমি কখনো আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান ছিলাম না। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই চেয়ারম্যান হয়েছি। এমপি কখনো দলের পদ দিতে পারে না। জেলা কমিটি বা কাউন্সিল ছাড়া পদ বৈধ নয়। আমি কখনো সম্মতি দিইনি। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাড. নাজমুল আহসান বলেন, জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আবদুল কাইউম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ডা. জহির উদ্দিন আহমেদই পটুয়াখালী-৪ আসনে জোটের প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকছেন। আমরা তাঁকে সহযোগিতা করব।রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে মুহাম্মদ আবদুল কাইউমসহ পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এখন বৈধ প্রার্থীদের আগামীকাল বুধবার প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।