সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

আজ ঐতিহাসিক নওগাঁ দিবস

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
আজ ১১ নভেম্বর ঐতিহাসিক নওগাঁ দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের নওগাঁ গ্রামে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তক্ষয়ী সম্মুখযুদ্ধ হয়। ওই যুদ্ধ স্মরণে দিনটিকে প্রতিবছর নওগাঁ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তবে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির করণে গত বছরের মতো এ বছরও কোনো কর্মসূচি নেওয়া হয়নি।তাড়াশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুর রহমান মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থেকে জানা যায়, সিরাজগঞ্জে তৎকালীন ছাত্রনেতা আব্দুল লতিফ মির্জার নেতৃত্বে গঠিত হয় পলাশডাঙা যুবশিবির। যুব শিবিরটি ছিল এফএফ, বিএলএফ (বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সেস), বেঙ্গল রেজিমেন্ট, বিডিআর, পুলিশ, আনসার, ছাত্র-জনতার সম্মিলিত গেরিলা বাহিনী।পলাশডাঙা যুব শিবিরের গেরিলারা নৌ ও স্থলপথে কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে শুরু করে বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে মুক্তাঞ্চল গড়ে তোলেন।১৯৭১ সালের  ১০ নভেম্বর সিরাজগঞ্জের নওগাঁয় নৌপথে অস্থান করছিলেন পলাশডাঙা যুব শিবিরের গেরিলারা। খবর পেয়ে ১১ নভেম্বর পাক বাহিনীর ২০৫ ব্রিগেডের ৩২ বেলুচ রেজিমেন্ট নওগাঁ আক্রমণ করে।মুক্তিবাহিনীও পাল্টা জবাব দেয়। প্রায় ১২ ঘণ্টার সম্মুখযুদ্ধে রসদহীন হয়ে পড়ায় পাকসেনারা পরাজয় বরণ করে।ওই যুদ্ধে ১৫৩ জন পাকসেনা ও ৬৯ রাজাকার নিহত হয়। বেলুচ রেজিমেন্টের কমান্ডার ক্যাপ্টেন সেলিমসহ আট পাকসেনা মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তবে এতে মুক্তিযোদ্ধারা কেউ আহত বা নিহত হননি।ওগাঁ যুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় সরকার নওগাঁ জিন্দানী ডিগ্রি কলেজ চত্বরে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করে।বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আরশেদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের সিভিলিয়ান আর্মি  লিডারের নেতৃত্বে গঠিত পলাশডাঙা যুব শিবিরের রণকৌশল নিয়ে একাধিক গবেষণা হয়েছে।তবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না মেলায় এ আপসোস বুকে নিয়ে অনেক সদস্য এখনও বেঁচে আছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102