বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: রূপনগরে আমিনুল হক মাহে রমজানেও বিএনপি নেতা আফাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে চলছে উত্তরা লেক পরিষ্কার কার্যক্রম পোশাক শিল্পের সংকট নিরসনে বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের বৈঠক তেল না থাকায় বন্ধ উত্তরার দুই ফিলিং স্টেশন পটুয়াখালীতে গ্রাম পুলিশ নিয়োগে চেয়ারম্যানের ঘুস নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ঈদের পর ঢাকা শহর পরিষ্কার করা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক গ্যাস সংকটে বন্ধ হতে পারে কলকাতার হাজারো রেস্তোরাঁ প্রেমের বিয়ের সম্পর্ক বৈধ না অবৈধ, যা জানালেন আহমাদুল্লাহ শ্রীপুরে ব্যবসা দখলে নিতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫ সেহরিতে খিচুড়ি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি পিপাসার কারণ

স্বাস্থ্যসেবা দেশে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সংগৃহীত ছবি | উত্তরা নিউজ

দেশে স্বাস্থ্যসেবা এখন লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতের বৈষম্য ক্রমশ বাড়ছে, যেখানে প্রতি বছর রোগীরা চিকিৎসার পেছনে যে অর্থ ব্যয় করছেন তার বড় অংশই রোগ নির্ণয় এবং পরীক্ষার ফি-তে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে পরীক্ষা ফি সরকারি হাসপাতালে তুলনায় কয়েকগুণ বেশি হওয়ার কারণে রোগীরা অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

সূত্র জানায়, দেশের ৮৫ শতাংশ রোগী এখনও বেসরকারি চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল। সরকারি হাসপাতালের ২০-২৫ শতাংশ চিকিৎসক রোগীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠিয়ে কমিশন নিচ্ছেন। বিশেষ করে কনসালট্যান্ট, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকরা এই কাজে সবচেয়ে সক্রিয়। এতে স্বাস্থ্যখাতের বড় প্রতিষ্ঠান এবং চিকিৎসকরা লাভবান হলেও, প্রতি বছর অন্তত ৬২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছেন।

চিকিৎসকরা ওষুধ প্রস্তুতকারক ও স্বাস্থ্যসেবা সংস্থার কাছ থেকে বাড়ি, গাড়ি, অর্থ ও উপহার গ্রহণ করে রোগীদের নির্দিষ্ট ওষুধ বা সেবায় উৎসাহিত করছেন। স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৩ শতাংশ রোগ নির্ণয় এবং ওষুধের খরচে চলে যাচ্ছে। ১৯৯৭ সালে চিকিৎসা ব্যয়ের ৫৫.৯ শতাংশ রোগীর পকেট থেকে যেতো, ২০২১ সালে তা বেড়ে ৭৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

সরকার স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন গঠন করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রণয়ন ও বিনামূল্যে প্রদানের সুপারিশ করেছে। স্বাস্থ্যসুরক্ষা আইনের মাধ্যমে বেসরকারি হাসপাতালে রোগ নির্ণয় পরীক্ষার ফি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে আইন পাসের বিষয়টি বিলম্বিত রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান জানান, জনগণকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেটে দেশের জিডিপির অন্তত ৫ শতাংশ বরাদ্দের সুপারিশ থাকলেও বাংলাদেশের বাস্তবতা অনুযায়ী এটি ১০ শতাংশ রাখা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102