মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে : স্পীকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পোস্টার ছাপিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা শেখ হাসিনার পথ অনুসরণ না করতে এনসিপিকে রিজভীর সতর্কবার্তা ফিফাকে নথিপত্র সংরক্ষণের আল্টিমেটাম দিল উয়েফা ‘বিশ্ব পরিস্থিতি যাই হোক, বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন’ ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল মিসর পরিচ্ছন্ন দেশ গড়তে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ মাঝেমধ্যে উঁকি দিলেও কিছুই করার মুরোদ নেই’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৭০ বছর পূর্ণ করল কিংবদন্তি চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’

পাকিস্তানে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৭০০

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
সংগৃহীত ছবি | উত্তরা নিউজ

পাকিস্তানে অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় প্রায় ৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে আরও ২৬ জন নিহত হওয়ার পর মৃতের সংখ্য ৬৯৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তেতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু নিউজ।

সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে খাইবার পাখতুনখাওয়াতেই। সেখানে বন্যায় ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গত ২৬ জুন পাকিস্তানে প্রথম বর্ষার তাণ্ডব শুরু হয়। গত কয়েকদিনে এ পরিস্থিতি অনেক বেশি খারাপ হয়ে যায়।

আনাদোলু জানিয়েছে, সোমবার সোয়াবি, নোশেরা, মার্দান, পেশোয়ার অন্যান্য বিভাগে বৃষ্টিতে ২৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

এরমধ্যে বুনের বিভাগ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অন্তত ২২২ জনের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুনেরে আরও অনেক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

বুনেরের বেশোনই গ্রাম গত শুক্রবার রাতে আকস্মিক বন্যার পানিতে পুরো নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। সেখানে উদ্ধারকারীরা এখনো জীবিত মানুষের খোঁজ চালাচ্ছেন।

শত শত মানুষের প্রাণহানির পাশপাশি ধ্বংস হয়ে গেছে বহু অবকাঠামো। বন্যা ভাসিয়ে নিয়ে গেছে সাধারণ মানুষের ঘর-বাড়ি, গবাদিপশু সহ সবকিছু।

গত বৃহস্পতিবার রাতে খাইবার পাখতুনখাওয়ার বিভিন্ন জায়গায় অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত শুরু হয়। যা শুক্রবার সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এরপর ঘটে মেঘ বিস্ফোরণের ঘটনা। যেটির প্রভাবে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা নিশ্চিহ্ন করে দেয় অনেক কিছু। সোমবার থেকে নতুন করে আবারও ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

খাইবার পাখতুনখাওয়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৭৮০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারমধ্যে ৩৪৯টি বাড়ি পুরো ধ্বংস হয়ে গেছে।

আবহাওয়াবিদরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। সাধারণ মানুষকে পূর্বসতর্কতামূলক প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তাতার জানিয়েছেন, আক্রান্ত অঞ্চল থেকে ২৫ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে প্রায় এক হাজার মানুষকে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৫ | Technical Support: Uttara News Team
themesba-lates1749691102