শরীর আগুনে পুড়ে যাওয়া রোগীর জন্য একটি গুরুতর সমস্যা এবং এর চিকিৎসা নির্ভর করে পোড়ার গভীরতা ও বিস্তৃতির ওপর।পুড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এছাড়া পোড়া স্থানে ত্বক লাল হওয়া, ফোসকা পড়া, চামড়া উঠে যাওয়া, ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া হওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
যেকোনো ধরনের পোড়ার ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করতে হবে। পোড়ার প্রাথমিক চিকিৎসায় শুরুতেই রোগীকে তাপের উৎস থেকে অতি দ্রুত কোথাও সরিয়ে নিতে হবে।
গায়ে আগুন লাগলে
মাটিতে গড়াগড়ি দিয়ে বা ভারি কম্বল দিয়ে পেঁচিয়ে, পানি দিয়ে কিংবা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সাহায্যে জ্বলন্ত আগুনের শিখা নিভিয়ে ফেলতে হবে। কাপড়ে আগুন ধরলে সঙ্গে সঙ্গে খুলে ফেলতে হবে।
পা কিংবা শরীরের নিচের অংশ পুড়ে গেলে রোগীকে শুইয়ে দিয়ে পা উঁচু করে রাখতে হবে। রোগীকে মুখে কোনো ধরনের খাবার অথবা পানীয় দেওয়া যাবে না। কারণ শ্বাসনালীতে গিয়ে ইনফেকশন করতে পারে। এমনকি রোগীর জীবন হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে
ক্ষতস্থানটি পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত গজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। গজ না থাকলে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত কাপড় দেওয়া যেতে পারে। মুখ অথবা চোখ পুড়ে গেলে রোগীকে বসিয়ে রাখতে হবে। অন্যদিকে পা কিংবা শরীরের নিচের অংশ পুড়ে গেলে রোগীকে শুইয়ে দিয়ে পা উঁচু করে রাখতে হবে। রোগীকে মুখে কোনো ধরনের খাবার অথবা পানীয় দেওয়া যাবে না। কারণ শ্বাসনালীতে গিয়ে ইনফেকশন করতে পারে। এমনকি রোগীর জীবন হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে।
আগুনে পোড়া রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেব এ পোড়া স্থানটি ১০ থেকে ২০ মিনিট ঠান্ডা পানি বা বরফ দিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। তারপর পুড়ে যাওয়া স্থানে একটি পরিষ্কার কাপড় বা গজ দিয়ে ভালোমত ঢেকে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। তাছাড়া পোড়া স্থানে ফোসকা পড়লে তাতে নিজের ইচ্ছে মতো কিছু না করাই ভালো, কারণ এতে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।