সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

উড়োজাহাজের জ্বালানি সংকটের শঙ্কা, বাড়তে পারে টিকিটের দাম

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম: শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩০ বার পঠিত
দেশে উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট এ-১ ফুয়েলের মজুদ শেষ হয়ে আসছে। খুব শিগগির এই জ্বালানির বর্তমান মজুদ শেষ হয়ে যাবে। এ সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে দেশের বিমান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। জ্বালানি সংকটের কারণে বিমানের টিকিটের দাম বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির পর পদ্মা অয়েল কম্পানির মাধ্যমে জেট ফুয়েল বিপণন করে বিপিসি।

পদ্মা অয়েল কম্পানি লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক (পরিচালন) মো. আসিফ মালেক স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে বিক্রয়যোগ্য জেট এ-১ ফুয়েল মজুদ  রয়েছে ৯ হাজার ২১ টন। তা থেকে দৈনিক গড় বিক্রির পরিমাণ এক হাজার ৫০৮ টন ধরলে এই জ্বালানি আর মাত্র ছয় দিন বিক্রি করা সম্ভব। অর্থাৎ বর্তমান মজুদ থেকে জেট এ-১ ফুয়েল ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিক্রি করা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিপিসির কাছে জ্বালানি তেল সরবরাহকারী ছয়টি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পাওনা রয়েছে ২৯ কোটি ৫৯ লাখ ৬০ হাজার ডলার। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা সেই অর্থ পরিশোধে তাগিদ দিলেও দেশে ডলার সংকট থাকায় বিপিসি দিতে পারছে না।

জ্বালানিসচিবকে গত ১১ ডিসেম্বর দেওয়া জরুরি চিঠিতে বিপিসি চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওয়ার বিস্তারিত হিসাব তুলে ধরেন। সংকট উত্তরণে প্রতিদিন ছয়-সাত কোটি ডলার বকেয়া পরিশোধ ছাড়া অন্য উপায় নেই বলে জানিয়েছে বিপিসি।

এ ব্যাপারে জানতে বিপিসি চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি সাড়া দেননি। সংস্থাটির পরিচালক (বিপণন) অনুপম বড়ুয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর জেট এ-১ ফুয়েলবাহী দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর জেটিতে ভিড়বে। এ ছাড়া আমাদের নতুন বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ফুয়েল মজুদ রয়েছে। বন্দর থেকে জ্বালানি দ্রুত খালাস হলে জেট এ-১ নিয়ে কোনো সংকট হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Print
  • উত্তরা নিউজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন:
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩
themesba-lates1749691102