আত্রাই-রানীনগর অশান্ত হওয়ার আশঙ্কা

অর্ধশত বছরের রক্তাক্ত জনপদ এবং সন্ত্রাসীদের অভয়অরন্য খ্যাত আত্রাই- রানীনগর একসময় নকশাল,রাজাকার,জেএমবি বাহিনীর তান্ডবে ও অত্যাচারে অশান্ত ও নিরাপত্তাহীন এলাকা হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিত ছিল। স্বাধীনতাত্তোর সময়েও হাজার হাজার রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি,ডাক্তার অবস্থাপূর্ন মানুষদের প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। অদ্যাবধি তাদের বিচারের দৃষ্টান্তমূলক খবর পাওয়া যায়নি। কারন মামলা করার সাহস পায়নি, মামলা করলেও স্বাক্ষী দিতে পারে নাই। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই খুনী সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা আইনের আওতার বাইরে থেকেছে।

জিয়াউর রহমানের সময়ে নকশালপন্থীদের অসংখ্য মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এরশাদের সময়ে প্রত্যাহার হয়েছে অনেক। গুরুত্বর অপরাধের মামলা বিএনপির সময়েও অনেক লোহমর্ষক হত্যাকান্ডের মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। এলাকার মানুষ শান্তির আশা ছেড়ে দিয়েছিল শুধু স্বপ্ন দেখতো কখন শান্তি আসবে।

অবশেষে ২০০৮ সালে নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারের সন্ত্রাস বিরোধী জিরো টলারেন্স এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ ইসরাফিল আলম এমপির সাহসী ও কঠোর অবস্থানের কারনে আত্রাই- রানীনগরে সর্বস্তরে জনজীবনে শান্তি স্থিতিশীলতা ফিরে আসে হাজার হাজার মানুষ যারা বাহিরে থাকতো তারাও গ্রামে ফিরে আসে। একদিকে উন্নয়নের জোয়ার অপরদিকে শান্তি ও নিরাপত্তার সু-বাতাস,সব কিছু মিলিয়ে সাড়ে নয় বছর ধরে এলাকায় মানুষজন যেন মায়ের কোলে ছিল। কোন রাজনৈতিক হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়নি বিরোধীদলসহ কারো বিরুদ্ধে কোন ধরনের মিথ্যা মামলা হয়নি। সাধারন মানুষজনের কাজ কর্মে কোন ধরনের বিধি নিষেধ বা বাধা আরোপ করতে পারেনি। এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি উৎপাদন বেড়েছে, প্রায় শত ভাগ বিদ্যুতায়ন হয়েছে, দুই উপজেলা মিলে প্রায় সাড়ে পাঁচশত কিলোমিটার নতুন রাস্তা হয়েছে। ৭০/৭২ ছোট বড় ব্রিজ হয়েছে। স্কুল কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রত্যাশিত উন্নয়নে এলাকার শিক্ষার হার ও মান দুটোই বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে সরকারের উদার দৃষ্টি ভঙ্গির কারনে তৃনমূল এর সাধারন মানুষও স্বাস্থ্য সেবার সুযোগ পাচ্ছে।

এই সুন্দর স্থিতিশীল পরিবেশ ও অর্জিত উন্নয়ন নিয়ে ভালোই ছিল এই এলাকার মানুষ। কিন্তু আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন দলের বিভিন্ন ধরনের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে মাঠে কার্যক্রম শুরু করলে তাদের পিছনে অতীতের সেই মুখচেনা রাজাকার,নকশাল,সর্বহারা ও জেএমবির নিষ্কিয় ক্যাডাররা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ইদুরের গর্তের মধ্যে যারা লুকিয়ে ছিল নির্বাচনের গরম হাওয়া পেয়ে তারাও গর্ত থেকে বের হয়ে এসে পুরাতন মেজাজে চলাফেরার চেষ্টা করছে। কথিত মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ছত্রছায়ায় যাদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও মামলা ছিল, এখনো মামলা বিচারাধীন আছে এ ধরনের দাগী ও চিহৃিত অপরাধীদের পদচারনায় এলাকার সাধারন মানুষ আবারও আতংকে ও ভীতিতে আক্রান্ত। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাদের বিরুদ্ধে তেমন কোন দৃশ্যমান অভিযান বা পদক্ষেপ নেই। সারা দেশে মাদকবিরোধী অভিযান চললেও এই এলাকার চিহৃিত মাদক ব্যবসায়ী ও দোষীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন তো হয়নি বরং প্রশাসনের ছত্রছায়ায় এখনও বিভিন্নভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন অভিযোগে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে, অসদ আচরণের কারণে দল থেকে বহিস্কৃতরা সরকারি দলের ব্যানারে বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে এলাকায় দিনে রাতে বিভিন্ন সময়ে মটর সাইকেল মহড়া দিয়ে, মানুষের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করে যাচ্ছে। 

স্থানীয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমকে এসব ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন সামনে নির্বাচন সাড়ে নয় বছর কাজ করেছি- উন্নয়নের জন্য মানুষের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সে কাজে অভুতপুর্ব সফলতা অর্জন করেছি। কিন্তু নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ব্যানারে যে সমস্ত চিহ্নিত অপরাধীদের বিশেষভাবে সর্বহারা জেএমবির পালিয়ে থাকা হারিয়ে যাওয়া নিষ্ক্রিয় নেতা কর্মীদের চেহারা দেখা যাচ্ছে তা অবশ্যই সাধারণ মানুষ শান্তিকামী মানুষের জন্য বিব্রতকর এবং আতঙ্কের কারণ।

সাংসদ ইসরাফিল আলম বলেন, আমি মনে করি আমি এমপি থাকা অবস্থায় যে কাজ করেছি সেই সফলতাকে ধরে রাখার জন্য আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হতে শক্তিশালী জনমত সৃষ্টি হয়েছে। সেই জনমতকে নষ্ট করার জন্যই বিরোধীদলের ছত্রছায়ায় বিএনপি জামাতের ইন্ধনে, তাদের অর্থে তাদের প্রভাবে,তাদের বুদ্ধি পরামর্শে তাদের সহযোগিতায় আওয়ামীলীগের কতিপয় বহিস্কৃত, কতিপয় বিপদগামী নেতারা মনোনয়ন প্রত্যাশার কথা বলে এই ধরনের অপশক্তিদের মাঠে নামিয়ে পরিবেশ ঘোলা করার চেষ্টা করছে। এটা সম্পূর্নভাবে প্রশাসনের দায়িত্ব আমি এখন এসবের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে গেলে আগামী নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে।প্রশাসনের চোখ আছে, সাংবাদিকদের চোখ আছে, সুশীল সমাজ, সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে আমি এগুলোকে নিভৃত করার চেষ্টা করছি। আইনগত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দায়িত্ব বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা আছে তারা বিষয়টি দেখবেন। আমি উন্নয়ন ও শান্তিকামী জনগণের স্বপক্ষে আমার বলিষ্ঠ ভুমিকা ও কন্ঠকে সবসময় অবারিত রেখেছি। নির্বাচনে বৈতরনি পার হওয়ার জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে নমনীয় হতেই হয় এবং এটাই এদেশের বাস্তবতা কিন্তু সে নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ যা করছে সেটা দৃশ্যমান। অতএব এ ব্যাপারের বাইরে আমার আর কোন মন্তব্য না থাকলেও সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে শো- ডাউন দেবার আগে এ ধরনের অবাঞ্চিত ও ভীতিকর মূখ জনসাধারণকে প্রত্যক্ষ করতে হয়নি। এখন তাদের এই সকল অপতৎপরতার কারনে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় তাদেরকেই নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, নৌকার ও অন্যান্য দলের কিছু মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে জঙ্গী এবং বাম চরমপন্থিদের সাথে যোগাযোগ আছে- তারা বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সহায়তায় নাশকতা সৃষ্টির এবং আমাকে হত্যার যে দীর্ঘ প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল তা অব্যাহত রেখেছে বলে জানি।

সংসদ সদস্য বলেন, আমি মহান আল্লাহতাআলা, দলের নেত্রী এবং এলাকার শান্তি ও উন্নয়নকামী শক্তিতে বলীয়ান, মৃত্যুর ভয়ে আতঙ্কিত নয়। পাবার লোভ নেই হারানোর ও ভয় নেই। দায়িত্ব পেয়েছি শতভাগ কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন আর শান্তির সুবাতাসে একসময়ের রক্তাক্ত জনপদ পরিপূর্ণ করেছি এবং তার উত্তরোত্তর উৎকর্ষতা সাধনে কাজ করে যাচ্ছি । ফলাফল বা মজুরি নির্ধারণের দায়িত্ব আমার না, তা নেত্রী ও জনগণের সুবিবেচনা এবং ন্যায় বিচারের ওপর নির্ভরশীল। আবার দায়িত্ব পেলে অর্জিত সফলতাকে দৃঢ়করন ও স্থায়িত্ব দেয়া এবং আরও আসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবো।

উল্লেখ্য স্থানীয় এম পি ইসরাফিল আলম এর নেতৃত্তে প্রায় ২৬ টি দলীয় অফিসের মাধ্যমে দল এবং এর সহযোগী সংগঠন সমূহ গত প্রায় ১০ বছর ধরে এক যোগে কাজ করলেও ২ উপজেলায় হাতে গোনা কিছু গন বিচ্ছিন্ন বিপথগামী ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গকারী নেতা কর্মীরা এক এক সময় এক এক জন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে, বর্তমান সরকারের স্থানীয় এম পি এর নেতৃত্তে সম্পাদিত বিশাল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচারনার পরিবর্তে, বিভিন্ন ধরনের কুৎসা রটিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে রানীনগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও বিগত নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিরধীতা কারী ও দল থেকে বহিষ্কৃত আনোয়ার হোসেন হেলাল, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পর পর ২ বার পরাজয় বরণকারী আব্দুর রহমান, চাকুরী ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেবার নামে প্রায় কোটি টাকার লুটপাটকারী উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসম্পাদক রেজাউল ইসলাম, এলাকা তে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত নওগাঁ জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সেক্রেটারি সাবেক নকশাল নেতা ওহিদুর রহমানের পুত্র ওমর ফারুক সুমন, আত্রাই উপজেলার তালিকা ভুক্ত ২ নম্বর রাজাকার নুরুল ইসলামের পুত্রদ্বয় সন্ত্রাস, এলাকার ব্যাপক দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,টেন্ডারবাজি ও চাকুরী বাণিজ্য সহ নেতাকর্মীর অভিযোগে দলে কোণঠাসা নাহিদ ইসলাম বিপ্লব এবং তার বড় ভাই আলমগীর হোসেন বাবর অন্যতম।

আরো কয়েক জন ব্যাক্তিগত পর্যায়ে এক এক সময় এক এক জন মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাথে সঙ্গ দিলেও তাদের থাকলেও মুলদল,সহযোগী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে তাদের কোন প্রভাব সৃষ্টি হয়নি। এছাড়াও বি এন পি ও জামায়াত সহ সাবেক জে এম বি ও চরম পন্থিদের সাথে অনৈতিক আঁতাত করার প্রকাশ্য অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে দলীয় মিটিং এ সাধারণ মানুষের মাঝে উত্থাপিত হয়েছে। দুই উপজেলার মুলদল, সহযোগী সংগঠন, ইউনিয়ন কমিটি, ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের সাথে স্থানীয় এম পির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান(১৫ জন) ও মেম্বারদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হোটেল মল্লিকা, আত্রাই হাই স্কুল ও রানীনগরে। ৪ টি সভাতেই অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় এম পি র নেতৃত্তের অর্জিত উন্নয়নের ও আইন শৃঙ্খলার ভুয়সী প্রশংসা করেছে। আগামী নির্বাচনে বর্তমান সংসদ সদস্যকে পুনঃনির্বাচিত করতে তারা অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছে। কোন অংশগ্রহণকারী মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্যান্যদের পক্ষে মতব্যাক্ত করেন নি, বরং সাড়ে নয় বছর পর হঠাৎ স্বঘোষিত প্রার্থী হবার ঘটনাকে তারা বিরক্তিকর হাস্যকর ও উল্লেখ্য স্থানীয় এম পি ইসরাফিল আলম এর নেতৃত্তে প্রায় ২৬ টি দলীয় অফিসের মাধ্যমে দল এবং এর সহযোগী সংগঠন সমূহ গত প্রায় ১০ বছর ধরে এক যোগে কাজ করলেও ২ উপজেলায় হাতে গোনা কিছু গন বিচ্ছিন্ন বিপথগামী ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গকারী নেতা কর্মীরা এক এক সময় এক এক জন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে, বর্তমান সরকারের স্থানীয় এম পি এর নেতৃত্তে সম্পাদিত বিশাল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রচারনার পরিবর্তে, বিভিন্ন ধরনের কুৎসা রটিয়ে যাচ্ছে। এদের মধ্যে রানীনগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও বিগত নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিরধীতা কারী ও দল থেকে বহিষ্কৃত আনোয়ার হোসেন হেলাল, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পর পর ২ বার পরাজয় বরণকারী আব্দুর রহমান, চাকুরী ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেবার নামে প্রায় কোটি টাকার লুটপাটকারী উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্মসম্পাদক রেজাউল ইসলাম, এলাকা তে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত নওগাঁ জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সেক্রেটারি সাবেক নকশাল নেতা ওহিদুর রহমানের পুত্র ওমর ফারুক সুমন, আত্রাই উপজেলার তালিকা ভুক্ত ২ নম্বর রাজাকার নুরুল ইসলামের পুত্রদ্বয় সন্ত্রাস, এলাকার ব্যাপক দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি,টেন্ডারবাজি ও চাকুরী বাণিজ্য সহ নেতাকর্মীর অভিযোগে দলে কোণঠাসা নাহিদ ইসলাম বিপ্লব এবং তার বড় ভাই আলমগীর হোসেন বাবর অন্যতম।

আরো কয়েক জন ব্যাক্তিগত পর্যায়ে এক এক সময় এক এক জন মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাথে সঙ্গ দিলেও তাদের থাকলেও মুলদল,সহযোগী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে তাদের কোন প্রভাব সৃষ্টি হয়নি। এছাড়াও বি এন পি ও জামায়াত সহ সাবেক জে এম বি ও চরম পন্থিদের সাথে অনৈতিক আঁতাত করার প্রকাশ্য অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে দলীয় মিটিং এ সাধারণ মানুষের মাঝে উত্থাপিত হয়েছে। দুই উপজেলার মুলদল, সহযোগী সংগঠন ,ইউনিয়ন কমিটি, ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের সাথে স্থানীয় এম পির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান(১৫ জন) ও মেম্বারদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হোটেল মল্লিকা, আত্রাই হাই স্কুল ও রানীনগরে। ৪ টি সভাতেই অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় এম পি র নেতৃত্তের অর্জিত উন্নয়নের ও আইন শৃঙ্খলার ভুয়সী প্রশংসা করেছে। আগামী নির্বাচনে বর্তমান সংসদ সদস্যকে পুনঃনির্বাচিত করতে তারা অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছে। কোন অংশগ্রহণকারী মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্যান্যদের পক্ষে মতব্যাক্ত করেন নি, বরং সাড়ে নয় বছর পর হঠাৎ স্বঘোষিত প্রার্থী হবার ঘটনাকে তারা বিরক্তিকর হাস্যকর ও উদ্দেশ্যমূলক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা এলাকার সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী,মাদক ব্যবসায়ীদের হঠাৎ তৎপরতা দেখে ক্ষোভ ও আশংকা প্রকাশ করেছে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / বিশেষ প্রতিবেদক

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

এ বিভাগের আরও খবর

ফেসবুকে আমরা