meda

বলা হয় যে, একমাত্র আইনস্টাইন ছাড়া এখনও পর্যন্ত কেউই সেভাবে তার ব্রেনের ১০ শতাংশের বেশি কাজে লাগাতে পারেননি। আপনাকেও যে তাঁর মত হতে হবে, এমন কোনো কথা নেই্। তবে স্বাভাবিকভাবেই আমরা বেশি বুদ্ধিমান হয়ে উঠার প্রক্রিয়াটাতো জানতেই পারি, তাই না? এতে করে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা, শার্পনেস, আইকিউ পাওয়ার সবই বেড়ে যাবে। তো চলুন জেনে নেয়া যাক, কোন কোন খাবারে বুদ্ধিমান হয়ে উঠতে পারবেন আপনি।

১. কফি: শুনতে আজব লাগলেও এ কথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে নিয়মিত দু কাপ করে খাওয়া শুরু করলে শর্ট টার্ম মেমরির উন্নতি ঘটে, সেই সঙ্গে অ্যালঝেইমার্স, পার্কিনসন এবং আরও সব মস্তিষ্ক ঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে বুদ্ধির ধারও বাড়তে শুরু করে। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, তা হল দিনে কিন্তু ভুলেও ২ কাপের বেশি কফি খাওয়া চলবে না। কারণ বেশি মাত্রায় কফি খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

২. আখরোট: এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রা ভিটামিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার নানাভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজে লাগে। সেই সঙ্গে দেহে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও বাড়ায়। ফলে সবদিক থেকে মস্তিষ্কের উপকার হয়।

৩. জাম: এই ফলটিতে উপস্থতি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ব্রেন সেল যাতে শুকিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখে। সেই সঙ্গে ব্রেনের অন্দরে প্রদাহ কমানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ ব্রেন ডিজিজকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, যাদের পরিবারে অ্যালঝাইমারস বা ডিমেনশিয়ার মতো মস্তিষ্কের রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা যদি প্রতিদিন জাম খেতে পারেন, তাহলে দারুন উপকার মেলে।

৪. অলিভ অয়েল: দক্ষিন এশিয়ায় সাধারণত রান্না করতে অলিভ ওয়েল ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু যদি করা হয়, তাহলে দারুন উপকার মিলতে পারে। আসলে এই তেলটিতে রয়েছে পলিফনল নামে একটি উপাদান, যা ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে দারুন কাজে আসে। প্রসঙ্গত, একাধিক কেস স্টাডি চলাকালীন বিজ্ঞানীরা লক্ষ করেছেন পলিফেনল নামক উপাদানটি নার্ভ সেলের কর্মক্ষমতা বাড়য়ে দেয়। ফলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে।

৫. নারকেল তেল: চুলের পরিচর্যায় কাজে লাগানো হলেও দক্ষিণ ভারতীয় ছাড়া আর কেউ সাধারণত নারকেলে তেলকে রান্নার কাজে লাগান না। কিন্তু যদি লাগাতে পারেন, তাহলে কেল্লাফতে! কারণ নারকেল তেলে উপস্থিত নিউরনের ক্ষমতা বাড়য়ে তোলে। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকারক উপাদান যাতে মস্তিষ্কের অন্দরে কোনও ক্ষতি সাধন করতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা