masum

 আলমগীর হোসেন : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ন্যাশনাল পিপল্স পার্টি (এনপিপি) থেকে মনোনয়ন পেলেন মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ। মরহুম শেখ শওকত হোসেন নিলুর প্রতিষ্ঠিত এনপিপির বর্তমান চেয়ারম্যান তাহার ছোট ভাই জননেতা শেখ ছালাউদ্দিন (ছালু)’র সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান- দলীয় প্রতীক ‘আম’ নিয়ে ডিএনসিসি উপ-নির্বাচনে অংশ নিবেন মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ।

মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার পত্তাশী গ্রামে পৈত্রিক নিবাসে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার শেখ ও মাতা মিসেস জাহানারা সাত্তার। তিনি বর্তমানে উত্তরার ৩ নং সেক্টর, ২ নং রোডের, এএইচ টাওয়ারে নিজ কার্যালয়ে বসেন। পড়ালেখায় তিনি এমএ (ফার্স্ট ক্লাস) ডিগ্রী অর্জন করেন।

ছোটবেলা থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড ও লেখালেখির সঙ্গে জড়িত আাছেন। লেখালেখি শুরু ১৯৯১ সালে ছাত্রাবস্থায়। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ হয় ১৯৯২ সালে ‘অভিব্যক্তি’। ‘অনির্বান’ নামে একটি পত্রিকায় সম্পাদনা করছেন দীর্ঘদিন। মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন প্রায় তিন বছর। তৎকালীন সময়ে কুয়ালালামপুর থেকে প্রকাশিত ‘মুক্তির স্বাদ’ ও ‘রেঁনেসা’ পত্রিকার যথাক্রমে প্রধান সম্পাদক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দেশে ফিরে জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক, পাক্ষিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিনসহ শতাধিক পত্রিকায় তার লেখা কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধ, ফিচার, ছোট গল্প, শিশুতোষ গল্প, রম্য গল্প, অনুগল্প এবং নিয়মিত কলাম প্রকাশিত হয়ে আসছে। বর্তমানে তিনি একটি প্রাইভেট ইউভার্সিটি’তে শিক্ষকতা করছেন। তার প্রকাশিত বই (একক ও যৌথভাবে) পঁচিশটি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিব্যক্তি, পাথরে ফোটানো ফুল, কার কাছে যাবো, তুমি শুধু আসবে, সবই হারিয়ে যায়, বিদীর্ণ বক্ষের আহাজারি, প্রথম দিনের মতোই, ভালোবাসার সন্ধি বিচ্ছেদ, জীবন যখন যেমন, বিরহী প্রহর, ডাকাত মামা, আবাং কাকাক, চিকেন ফ্রাই ও আইসক্রিম, আমি দায়োয়ান হতে চাই, শিশু নাচে তিড়িং বিড়িং ইত্যাদি। তিনি বিভিন্ন টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারেও স্বরচিত কবিতা আবৃতি করেন।

মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহর লেখা ছড়া পড়ি জীবন গড়ি (এক, দুই, তিন) এই বই তিনটি দেশের প্রায় সকল জেলার স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠ্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। লেখালেখিতে তিনি কবি শামসুর রাহমান সাহিত্য পদক-২০১০, চিত্রশিল্পী এসএম সুলতার সাহিত্য পদক-২০১১, শেরে বাংলা স্মৃতি পদক-২০১২, কবি নজরুল সাহিত্য সম্মাননা-২০১৩, বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্য সম্মাননা-২০১৩, জাগো বাংলাদেশ শিশুকিশোর ফেডারেশন কর্তৃক বিজয় দিবস সম্মাননা-২০১৪, বিশ্ব শিশু দিবস সম্মাননা স্মারক-২০১৪, ছড়ার ডাক সম্মাননা-২০১৪, কালচারাল মুভমেন্ট এ্যাওয়ার্ড-২০১৫ এবং শিশু সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কিচির মিচির সাহিত্য সম্মাননা সহ প্রায় অর্ধশত সম্মাননা স্মারক অর্জন করেন। এছাড়া কলকাতা থেকে বিশ্ববঙ্গ স্মারক সম্মাননা-২০১৪ অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি ছোটদের কাগজ ‘টাপুর টুপুর’ ও ‘মাসিক ভিন্নমাত্রা’ -র সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে পত্রিকা দু’টি নিয়মিত প্রকাশ করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা