ac julfiqar ali uttara1

চালক কিংবা পথচারী। অসতর্কতার সাথে রাস্তায় চলাচলের কারণে একের পর এক সারাদেশে ঘটে চলছে ভয়াবহ সব সড়ক দূর্ঘটনার ঘটনা। এটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, সম্প্রতি বিশ্ব গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘বিশ্বে প্রতি চব্বিশ সেকেন্ডে সড়ক দূর্ঘটনায় মারা পড়ছে একজন!’। আর এরকম পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ট্রাফিক বিভাগ অনেক আগ থেকেই কাজ করে আসছিল। সম্প্রতি দেশে কয়েকটি মারাত্মক সড়ক দূর্ঘটনায় সংগঠিত আন্দোলনের ফলে তাদের এই কার্যক্রমে এসেছে আরও গতিশীলতা। আর এই গতিশীলতার ধারাবাহিকতায় উত্তরার সড়কগুলোকে নিরাপদ চলাচল বজায় রাখতে বিশেষ তৎপর রয়েছে উত্তরা ট্রাফিক জোন। সরেজমিন পর্যবেক্ষন করে দেখা যায় উত্তরার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে উত্তরা ট্রাফিক জোনে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। গত বুধবার উত্তরা ১১নং সেক্টর চৌরাস্তায় দেখা গেছে ট্রাফিক জোন উত্তরের বিশেষ কার্যক্রম চিত্র। উল্টোপথে গাড়ী চালানো, লাইসেন্সবিহীন চালক ও রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করছে যারা এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের অংশ হিসেবে জরিমানা আদায় সহ সড়কে পথচারী ও যানচলাচল স্বাভাবিক করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে উত্তরা ট্রাফিক জোন। এ বিষয়ে উত্তরা ট্রাফিক জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী উত্তরা নিউজকে বলেন, “সড়কে মূলত যাত্রী এবং চালক শ্রেণির মানুষের চলাচল থাকে। আমরা চাই চালক নিয়মতান্ত্রিকভাবে গাড়ী চালাবে এবং পথচারী/যাত্রীরাও নিরাপদে রাস্তায় চলাচল করবে। যতে করে সকল প্রকার দূর্ঘটনা থেকে উভয় পক্ষই রক্ষা পেতে পারে। বিশেষ করে উত্তরায় অধিক মানুষের যাতায়াত থাকায় এ অঞ্চলে সড়কে দূর্ঘটনার প্রবণতাও বেশি। তাই আমরা দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে অভিযান পরিচালনা করি। যা এখান ব্যস্ততম সড়কগুলোকে নিরাপদ করতে সক্ষম হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, সড়ককে নিরাপদ করতে ট্রাফিক বিভাগের যেসব নির্দেশনা রয়েছে সেগুলো আমি এবং আমার সদস্যরা পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে আমাদের সদস্যরাও বেশ তৎপর রয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা না ফেরা পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।
কোন চালক যাতে বেপরোয়া গাড়ী চালিয়ে পথচারী কিংবা যাত্রীর প্রাণের জন্য হুমকিস্বরূপ না হয় কিংবা পথচারীরাও যাতে অসতর্কতার সাথে রাস্তা পারাপারে উদ্যত হয়ে জীবনহানীর মত ঘটনার দ্বারে সম্মুখীন না হয় সে ব্যাপারে তিনি সকলকে অনুরোধ জানান।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / মোহাম্মদ গাজী তারেক

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা