ঘূর্ণিঝড় তিতলি

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো ঘনীভূত হয়ে অগ্রসর হতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভোরে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, গতিপ্রকৃতি বলছে ঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশমুখঅ। তবে এটি যখন স্থলভাগে পৌঁছাবে তখন এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে হবে। যেহেতু ঝড়টি এখনও ৮৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে, তাই এটি কোন দিকে মোড় নেয় তা এই মুহূর্তে বলা উপযুক্ত নয়।

আহাওয়া বিভাগ ৭ নম্বর বুলেটিনে জানিয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে সামান্য অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে, যার নাম তিতলি। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে ৯৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হতে পারে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসে একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়া আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে।

এ অবস্থায় দেশের তিনটি সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকায় ২ নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত মাছ ধরার নৌকাগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / নিজস্ব প্রতিবেদক

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা