TIB

মংলা ও বুড়িমারী বন্দরে সেবা দিতে সবক্ষেত্রে শতভাগ দুর্নীতি হয় বলে এক গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ ছাড়া মোংলা ও এর কাস্টমস এবং বুড়িমারী স্থল বন্দরে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ রবিবার ধানমণ্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে 'মংলা বন্দর ও কাস্টম হাউজ এবং বুড়িমারী স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন : আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়' শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ, শ্রমিক নেতাদের একাংশ, দালালদের একটি অংশের প্রভাব এবং যাদের ওপর দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ বা সুশাসন প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব তাদের একাংশের যোগসাজশে এ দুর্নীতি হচ্ছে। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ নেই যেখানে দুর্নীতি বন্ধ হয়েছে কিন্তু দুর্নীতিবাজরা শাস্তি পায়নি। আমাদের দেশেও এমন নজির দরকার।

এর আগে এ দুই বন্দর এবং কাস্টমস হাউজের ওপর পরিচালিত গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপণ করেন  মো. খোরশেদ আলম ও মনজুর ই খোদা।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মোংলা কাস্টম হাউজ থেকে ৩ হাজার ৯৯ কোটি টাকা এবং বন্দর থেকে ২২৭ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। আর বুড়িমারী কাস্টম হাউজ থেকে ৪৫ কোটি এবং বন্দর থেকে ২৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুড়িমারী বন্দরে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধাপে বিল অব অ্যান্ট্রি প্রতি গড়ে কমপক্ষে ২ হাজার ৫০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। একইভাবে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১ হাজার ৭০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।

একইভাবে মোংলা বন্দরের কাস্টম হাউজে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও কমপক্ষে ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা হিসাব বহির্ভূতভাবে আদায় করা হয়। অন্যদিকে গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা