Muslim-women-in-congress

ফিলিস্তিনি-আমেরিকান রাশিদা তালিব, এবং সোমালি-আমেরিকান ইলহান ওমর প্রথম দুই মুসলিম নারী হিসেবে মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

 

তালিব মিশিগানের ১৩তম কংগ্রেশনাল জেলা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। ওইখানে এই ডেমোক্রেট সদস্যই ছিলেন কোনো শক্তিশালী দল নির্বাচনে দাঁড়ানো একমাত্র প্রার্থী।

অন্যদিকে, ওমর নির্বাচিত হয়েছেন মিনেসোটা থেকে। ওইখানে তিনি আরেক মুসলিম কংগ্রেস সদস্য কিথ এলিসনের জায়গায় নির্বাচিত হয়েছেন। কিথ ওই রাজ্যের এটর্নি জেনারেল পদে নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছেন।

তালিব (৪২) ডেট্রয়েটে অভিবাসী ফিলিস্তিনি বাবা-মা'র ঘরে জন্ম নেন। ২০০৮ সালে তিনি মিশিগান আইনসভায় নির্বাচিত প্রথম নারী হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে তিনি ন্যুনতম মজুরি ১৫ ডলার নিশ্চিত করা এবং ওয়েলফেয়ার প্রোগ্রামে ভর্তুকি বন্ধ প্রতিরোধ এবং বড় কর্পোরেশনগুলোকে কর মওকুফ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

ওমর সোমালিয়ার গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে আমেরিকায় পালিয়ে আসেন ১৪ বছর বয়সে। তিনিও একই রকম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা এবং অবৈতনিক কলেজ শিক্ষার কথা ঘোষণা করেছেন।

দাদার সঙ্গে ওমর ডেমোক্রেটিক ফার্মার লেবার পার্টির কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ওমর তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করেন।

মার্কিন মুসলিমদের বিরুদ্ধে ব্যাপক নেতিবাচক মনোভাবের মধ্যে এই দুই মুসলিম নারী মার্কিন প্রতিনিধি সভায় নির্বাচিত হলেন।

গত সপ্তাহে প্রকাশিত নিউ আমেরিকান ফাউন্ডেশন ও আমেরিকান মুসলিম ফাউন্ডেশনের একটি জরীপে দেখা যায় প্রতি পাঁচ জনে দুই জন আমেরিকান মনে করেন ইসলাম আমেরিকার আদর্শের সঙ্গে খাপ খায় না। একই সংখ্যক মানুষ মনে করে মুসলিমরা অন্যদের মত দেশপ্রেমী নয়।

মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো বলছে দেশটির মিডিয়া ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক হারে মুসলিম বিরোধী প্রচারনা চালাচ্ছে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / জি/টি

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা