oikko-front-uttaranews24.com

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের চার দিন পর বৃহস্পতিবার ঢাকার গুলশানের লেইক শোর হোটেলে কূটনীতিকদের নিয়ে এই মতবিনিময়  সভা হয়। সভার পর জোট শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, “আজকে আমরা শুধু বাংলাদেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনার-কূটনৈতিকদের সাথে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় করেছি। অত্যন্ত সফলভাবে এই মতবিনিময় সম্পন্ন হয়েছে।

“আমদের শীর্ষ নেতা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ড. কামাল হোসেন ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের প্রশ্নের জবাবও তিনি দিয়েছেন।”

সভায় থাকা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, “আমরা কূটনীতিকদের সাথে মতবিনিময় করেছি, এর বেশি কিছু বলা যাবে না।”

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অনমনীয়তার মধ্যে সংসদ ভেঙে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে একজোট হয়েছে বিএনপি, জেএসডি, গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

বৈঠকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য কূটনীতিকদের সরবরাহ করা হয় বলে জানা যায়। আরও জানা যায়, বিকালে এক ঘণ্টার এই বৈঠকের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল কূটনীতিকদের স্বাগত জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর কামাল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, মরক্কোসহ ৩০টি দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, জেএসডির তানিয়া রব, আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মনটু, সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না ছাড়াও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনও ছিলেন বৈঠকে।

এছাড়াও বিএনপি নেতাদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল মান্নান, শাহজাহান ওমর,  ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাবিহউদ্দিন আহমেদ,  মীর মো. নাছির উদ্দিন, শাহিদা রফিক, শ্যামা ওবায়েদ, তাবিথ আউয়াল, মীর হেলালও সভায় ছিলেন।

অন্যদিকে, সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর ইতোমধ্যে জনসভার কর্মসূচি ঘোষণা হয়েছে। সিলেটে ২৩ অক্টোবর জনসভার পর চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতেও জনসভা করতে চায় তারা।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / জি/টি

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা