bangla literature

আর্ট/শিল্পঃ-

দৃশ্য বা অদৃশ্যকে শিল্পীর চিত্তরসে রসায়িত করিয়া যে স্থিতিশীল রুপ-মহিমা দান করা হয়,উহাই আর্ট বা শিল্প। 
সাহিত্যঃ-

নিজের কথা,পরের কথা বা বাহ্যজগতের কথা সাহিত্যকের মনোবীনায় যে-সুরে ঝংঙ্কৃত হয়, তাহার শিল্পসঙ্গত প্রকাশই সাহিত্য।
সাহিত্য ২প্রকার,যথা-
মন্ময় সাহিত্য & তন্ময় সাহিত্য। 
১| মন্ময় সাহিত্যঃ-যখন সাহিত্যিক একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করেন,তখন উহাকে মন্ময় সাহিত্য বলি।
২| তন্ময় সাহিত্যঃ- সাহিত্যে বস্তুুসত্তার প্রাধান্য হইলে উহাকে তন্ময় সাহিত্য বলা হয়।
কবিতাঃ- 
মানবমনের ভাবনা -কল্পনা যখন অনুভূতিরঞ্জিত যথাবিহিত শব্দসম্ভারে বাস্তব সুষমামন্ডিত চিত্রাত্মক ও ছন্দোময় রুপ লাভ করে, তখনই উহার নাম কবিতা।
কবিতা প্রধানত, দু'প্রকার। যথা-
মন্ময় বা গীতিকবিতা & তন্ময় বা বস্তুুনিষ্ঠ কবিতা।
১| মন্ময় কবিতাঃ কবির একান্ত ব্যক্তি-অনুভূতি যখন সহজ ও সাবলীল গতিতে সঙ্গীতমুখর হইয়া আত্মপ্রকাশ করে, তাহাকেই গীতিকবিতা বলে।
২| তন্ময় কবিতাঃ- কবির কবিতায় বস্তুুসত্তার প্রাধান্য যখন সহজ ও সাবলীল গতিতে সঙ্গীতমুখর হইয়া আত্মপ্রকাশ করে, তাহাকেই তন্ময় কবিতা বলে।
নাটকঃ- নাটক হচ্ছে সাহিত্যের একটি ধরন নাট্যকার যখন দৃশ্য ও শ্রব্যকাব্যের সমন্বয়ে রঙ্গমঞ্চের সাহায্যে গতিমান মানবজীবনের প্রতিচ্ছবি আমাদের সম্মুখে মূর্ত করিয়া তোলে তখন তাকে নাটক বলা হয়।
যথা- ঐতিহাসিক নাটক, পৌরানিক নাটক,
রসাত্মক নাটক প্রভৃতি। 
উপন্যাসঃ- 
আক্ষরিক অর্থে কল্পিত কাহিনী। 
উপন্যাসিক বা গ্রন্থকারের ব্যক্তিগত জীবন-দর্শন ও জীবনানুভূতি কোন বাস্তব কাহিনী অবলম্বন করিয়া যে- বর্ণনাত্মক শিল্পকর্মে রুপায়িত হয়, তাহাকে উপন্যাস বলে।
উপন্যাসকে সাধারণত '৪' ভাগে ভাগ করা যায়,
১| ঐতিহাসিক 
২|সামাজিক 
৩|কাব্যধর্মী 
৪| আত্মজীবনীমুলক।
ছোট গল্পঃ-
ছোট গল্প লেখকের আত্বসচেতন সৃষ্টি।
E,P poe বলেন, যে -গল্প অর্ধ হইতে এক বা দুই ঘন্টার মধ্যে এক নিশ্বাসে পড়িয়া শেষ করা যায়, তাহাকে ছোট গল্প বলে।
#জীবনের খন্ডাংশে লেখক যখন রস -নিবিড়
করিয়া ফুটাইতে পারেন, তখনই ইহার সার্থকতা।
#স্বল্পসংখ্যক সুনির্বাচিত ঘটনার সাহায্যে জীবনের খন্ডাংশকে লেখক যখন রস -নিবিড় করিয়া ফুটিয়ে তোলেন তখন তাকে ছোট গল্প বলে।
প্রবন্ধঃ- 
সাধারণত কল্পনা ও বুদ্ধিবৃত্তিকে আশ্রয় করিয়া লেখক কোন বিষয়বস্তুু সম্বন্বে যে আত্মসচেতন নাতিদীর্ঘ সাহিত্য -রুপ সৃষ্টি করেন,তাহাকেই প্রবন্ধ বলা হয়।
শ্রেণীবিভাগঃ- তন্ময় ও মন্ময় প্রবন্ধ। 
ছড়াঃ-
ছন্দ আর অন্তমিলের প্রতি যন্তশীল হয়ে হালকা চালে সহজ শব্দের সম্ময় সাধন করে বিষয়কে প্রকাশ করবার জন্যে যে পদ বা সমষ্টির সৃষ্টি করা হয় তাকে ছড়া বলে।
ছন্দঃ-
ছন্দ অর্থ - সৌষম্য। কবিতার ছন্দ বলিতে ধ্বনিবিন্যাসের সৌষম্য।
পদ্যঃ- 
ছন্দবদ্ধ রচনাকে পদ্য বলা হয়।
সাহিত্যের যে অংশে ছন্দমিলের বিষয়টি প্রবলভাবে অনুসরণীয়।
গদ্যঃ- 
গদ্য হলো মানুষের কথ্য ভাষার লেখ্যরূপ।

লেখক- মাহফুজুল হক রাকিব
ছাত্র, বাংলা বিভাগ, টঙ্গী সরকারি কলেজ।


উত্তরানিউজ২৪ডটকম / জি/তা

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা