foreing_un

‘দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে একটি মহল দেশে-বিদেশে অপব্যাখ্যা করছে, এতে বিভ্রান্ত হবার কোনো কারণ নেই।’

লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনে বুধবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামের নেতৃত্বে সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা একথা বলেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, কারো সম্পদও হারানোর কোনো আশঙ্কা নেই  বা সরকার কারো নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না। বরং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে এই আইনে।

তবে যারা দ্বৈত নাগরিক তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে দলীয় কোনো নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না বা সাংবিধানিক কোনো পদে অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না। তা করতে হলে একটি ত্যাগ করতে হবে।

এইচটি ইমাম বলেন, বিএনপি মিথ্যাচারে পারদর্শী একটি দল। বিএনপি লবিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। বৃটেনের সঙ্গে আমাদের বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের কথাগুলো তুলে ধরতেই গেল আট বছর যাবৎ আমরা এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করে আসছি। নতুবা বিএনপি একতরফা মিথ্যাচার চালিয়ে যাবে। প্রতি বছর সেমিনার আয়োজনকারীরা ক্ষমতাসীন এবং বিরোধী দলকে আমন্ত্রণ জানান। এবছরও তারা বিরোধীদল জাতীয়পার্টি এবং বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলে সরকার জিরো টলারেন্সে বিশ্বাসী। জঙ্গি দমনে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশ্বের অনেক দেশই বাংলাদেশকে জঙ্গি দমনে সহায়তা করতে আগ্রহী।

এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির প্রতিনিধি বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

তিনি বলেন, বিএনপি ঘুরে ফিরে একই কথা বলতে চায়-মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতি। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে এবং এটি সংবিধান স্বীকৃত।

সুতরাং সংবিধানের বাইরে কারো যাওয়ার সুযোগ নেই। বেগম খালেদা জিয়া বলছেন মধ্যবর্তী নির্বাচন হলে দেশে আর জঙ্গিবাদ থাকবে না, জঙ্গিবাদের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। জঙ্গিবাদ এখন বিশ্বের প্রতিটি দেশে। আর কোনো দেশে তো কেউ এমন কথা বলছে না।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, বিএনপির লবিস্টরা তাদের দায়িত্বের বাইরে এমন সব বিষয় প্রচার করছেন যার জন্যে একটি দেশ এবং জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমার বিশ্বাস তারা এ ব্যাপারে আরো সতর্কতা অবলম্বন করবেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তারানা হালিম বলেন, প্রযুক্তির যেমন সুফল আছে, আছে তার নেতিবাচক দিকও। আর তা নির্ভর করে ব্যবহারের উপর। বৃটেন এবং মালয়েশিয়া থেকে বিভিন্ন ফেইক আইডির মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং সরকার সম্পর্কে অপপ্রচার চালানো হয় এসব আমাদের নজরে আছে।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / সারোয়ার জাহান

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা