nurul islam

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় অবৈধ ভাবে অবস্থানরত কর্মীদের বৈধ করার বিষয়ে সরকার বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বৈধ হওয়ার জন্য রি-হায়ারিং কর্মসূচিতে নাম নিবন্ধনকারী কর্মী/শ্রমিকদের ভিসা প্রাপ্তির কার্যক্রম আগামী শনিবার পর্যন্ত চলমান থাকবে। যাতে তারা ভিসা গ্রহণ করে বৈধভাবে অবস্থান করতে পারে। 

সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল। 

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক বৈধ করার বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে মালয়েশিয়া সফরকালে অবৈধ শ্রমিকদের বৈধ করার জন্য সে দেশের সরকারের কাছে অনুরোধ জানান। তাঁর অনুরোধের প্রেক্ষিতে মালয়েশিয়া সরকার ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি হতে ‘রি-হায়ারিং প্রোগ্রাম’ চালু করে। যার মেয়াদ ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরে শেষ হয়। একই সঙ্গে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয় এই মর্মে যে যারা সেদেশে অবৈধভাবে আছে তাদের কোনো প্রকার শারীরিক শাস্তি ব্যতিত শুধু আর্থিক জরিমানা দিয়ে তারা নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করতে পারবে। বৈধ হওয়ার জন্য রি-হায়ারিং কর্মসূচিতে নাম নিবন্ধনকারী কর্মী/শ্রমিকদের ভিসা প্রাপ্তির কার্যক্রম আগামী শনিবার পর্যন্ত চলমান থাকবে। যাতে তারা ভিসা গ্রহণ করে বৈধভাবে অবস্থান করতে পারে। এজন্য হাইকমিশন হতে প্রতিনিয়ত পত্র  দিয়ে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, রি-হায়ারিং কর্মসূচিতে রেজিস্ট্রেশনসহ ব্যবস্থাপনার জন্য মালয়েশিয়ার ৩টি ভেন্ডর  কম্পানিকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এই তিন কম্পানির যে কোনো একটি কম্পানিতে কম্পানির মালিক/প্রতিনিধিসহ গিয়ে নাম রেজিস্ট্রেশন করার জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হয়।  কোনো দালাল, এজেন্ট বা মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে রি-হায়ারিং কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করার ব্যাপারে তাদের সর্তক করা হয়।

সরকারী দলের সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ হতে বর্তমানে বিশ্বের ১৬৫টি দেশে কর্মী প্রেরণ করা হচ্ছে। পূর্বে শুধুমাত্র জি-টু-জি প্রক্রিয়ায় সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে ২০১৬ সালে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় জি-টু-জি প্লাস প্রক্রিয়ায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্টসমূহ বেসরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ করছে। তাছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বোয়েলস জি-টু-জি প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া ইপিএসের আওতায় কর্মী প্রেরণ করে থাকে। 



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা