un

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে এ বছর শতাধিক আসন কমানো হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) আবু হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কমানো আসনের মধ্যে ছাত্রদের ৪৯টি ও ছাত্রীদের ৫৩টি আসন রয়েছে। ফলে এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় ১৮৮৪টি আসনের বিপরীতে ভর্তি যুদ্ধে অংশ নেবে শিক্ষার্থীরা। যা গত বছর ছিল ১৯৮৬টি আসন।

রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে আসন কমেছে ২০টি, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ১০টি, ভূ-তাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগে ৫টি, সিএসই বিভাগে ৫টি, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে ৫টি, অর্থনীতি বিভাগে ৫টি, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে ৫টি, নৃবিজ্ঞান বিভাগে ১০টি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ৪টি, চারুকলা বিভাগে ১টি, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে ১০, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে ৬টি, ফার্মেসি বিভাগে ৪টি, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগে ৯টি, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৬টি এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগে ১২টি আসন কমানো হয়েছে। এছাড়া আরও অত্যন্ত চারটি বিভাগ আসন কমানোর জন্য আবেদন করেছে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ১০টি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ১০টি আসন বাড়ানো হবে বলে জানা গেছে।

ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু হাসান জানান, সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বিভিন্ন বিভাগ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলে বৈঠক শেষে শিক্ষকগণ কেন্দ্রীয় পরীক্ষা কমিটির কাছে প্রেরণ করেছে। ভর্তি পরীক্ষার পর চূড়ান্ত বৈঠক শেষে জানা যাবে আসন কমানো হবে কিনা।

কেন আসন কমানোর জন্য বিভাগগুলো আবেদন করেছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিভাগগুলোর আসন কমানোর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন নিদিষ্ট ক্লাস রুমের ঘাটতি, পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধার অভাব, ল্যাব সমস্যা, আসন সংকটসহ বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করেছেন।

আসন কমানোর প্রক্রিয়া: যেসব বিভাগ আসন কমাতে চান উক্ত বিভাগ আসন কমানোর কারণ উল্লেখ করে একাডেমিক মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ শেষে আসন কমানোর কারণ উল্লেখসহ একটি চিঠি কেন্দ্রীয় পরীক্ষা কমিটির কাছে পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা কমিটির বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত থেকে বিভাগসমূহের কারণ যাছাই-বাচাই শেষে সিদ্ধান্ত নেন।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা