Rajshahi-Bagmara-News

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে চঞ্চল চন্দ্র (৩০) নামের এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে জেলার বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর হরিতলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনায় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত যুবলীগ নেতা চঞ্চল চন্দ্র হলদারপাড়ার নরেন চন্দ্র পিয়নের ছেলে। সে পৌরসভা যুবলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য। এ ঘটনায় পুলিশ তিন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আটক করেছে।

বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছিম আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন। 

প্রত্যাক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর হরিতলা এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন।

তাদের মধ্যে চঞ্চল চন্দ্রসহ দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওসি জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়র আবুল কালাম আজাদের সমর্থকরা জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও এমপির সমর্থক গুলবার রহমানকে মারপিট করে জখম করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এ ঘটনার জের ধরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাহেরপুর হরিতলা এলাকায় দুইপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ারও ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

ওসি আরও জানান, আহতদের মধ্যে এমপির সমর্থক গুলবার ও প্রফেসর কাওসার আলী এবং মেয়রের সমর্থক চঞ্চল চন্দ্রকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবলীগ নেতা চঞ্চল মারা যান। এ ঘটনায় তাহেরপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তাহেরপুর ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মাহাবুর রহমান বিপ্লবসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। 

এ বিষয় নিয়ে বাগমারার সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক ও তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোনে পাওয়া যায়নি। 



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / এ/বি

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা