m a wahed 6

 জাতীয় সংসদের ১৫৬ নং নির্বাচনী এলাকা ময়মনসিংহ শিল্পসমৃদ্ধ ১১ নং আসন (ভালুকা) আওয়ামী লীগের এলাকা হিসেবে পরিচিত হলেও আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আসনটিতে প্রায় দুই ডজনের মত আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের প্রত্যাশায় নিজেদের দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এই প্রচার-প্রচারণা ও জনসংযোগ কাজে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে জনমত জরিপে এগিয়ে আছেন পাপুয়া নিউগিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, তরুণ রাজনীতিবীদ আলহাজ্ব এম.এ ওয়াহেদ।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভালুকা ১১ আসনের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও নৌকা প্রতীক সমর্থনে নিজ এলাকায় বিভিন্ন মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশ থেকে শুরু করে ভালুকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্বাচনী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এই তরুণ নেতা। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পাপুয়া নিউগিনি শাখার তিন বারের নির্বাচিত সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালনও করেছেন তিনি। জানা যায়, পাপুয়া নিউগিনির একাধিক শিল্পকারখানার কর্ণধার ও শিল্পোদ্যোক্তা এম.এ ওয়াহেদ বাংলাদেশের মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে লালিত পরিবারের সন্তান হিসাবে তিনি নিজেকে এলাকার মানুষের কল্যাণে একের পর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছেন । বিগত ২০ বছর ধরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের উন্নয়নসহ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষেদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।


অন্যদিকে, জাতীয় সংসদের ১৫৬ নং আসনের ভালুকা ১১ আসনে নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ ওয়াহেদ একজন আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, দানবীর, শিক্ষানুরাগী, পরোপকারী মানুষ হিসেবে সাধারন মানুষের কাছেও বেশ পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসমূহ ঘুরে দেখা গেছে নিজ এলাকায় আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশী এম.এ ওয়াহেদ এর বিভিন্ন কর্মকা-ের চিত্রও। গরীব দুঃস্থদের মাঝে কম্বল বিতরন, নগদ অর্থ প্রদান, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নকল্পে দান-অনুদান, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনে অর্থ প্রদান থেকে শুরু করে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে বিশেষ করে হিন্দু ধর্মালম্বীদের অন্যতম পুঁজানুষ্ঠান শারদীয় দূর্গা পূঁজায় বিভিন্ন মন্ডপে নগদ অর্থ ও সহযোগিতা করেছেন এই তরুণ রাজনীতিবীদ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এলাকার আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সংগঠিত ও আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণের কাছে তুলে ধরতে কাজ করে যাচ্ছেন এই নেতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমূহে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- প্রচার ও নিজ শুভাকাঙ্খীদের কাছে তুলে ধরতেও অন্যদের চেয়ে এগিয়ে আছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী এম.এ ওয়াহেদ। সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো যথাক্রমে- পদ্মা রেলসেতু, মেট্রোরেল প্রকল্প, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান ফ্লাইওভার, মৌচাক-মগবাজার, কুড়িল বিশ্বরোড বহুমুখী ফ্লাইওভার, রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার সহ ভালুকার উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বর্তমান সরকারের প্রশংসনীয় ভূমিকার কথা এলাকাবাসীর কাছে তুলে ধরছেন তিনি।


জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিজেকে সর্বদা প্রস্তুত রেখেছি বলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভালুকা ১১ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এই তরুণ নেতা সংবাদ সারাক্ষণকে জানান, “পারিবারিক সূত্রেই আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শে লালিত। আর বঙ্গবন্ধু কণ্যা শেখ হাসিনার হাতকে এই অঞ্চলে আরও শক্তিশালী করতে আমি নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছি এবং আগামীতেও যাবো ইনশাআল্লাহ্। এলাকার মানুষের উন্নয়নে আমার পরিবারের সদস্যরা এর আগেও অংশগ্রহণ করেছে আর আমিও সেই ধারা অব্যাহত রেখে চলেছি। আমার এলাকার হত দরিদ্র মানুষ থেকে শুরু করে সকল স্তরের মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক সহ পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন কাজে অংশ্রগহনেই আমি রাজনৈতিক স্বাদ আস্বাদন করতে পারি বিধায় সমাজের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সেবা করার জন্য আমার কর্মী সমর্থকদের উপদেশ দিয়ে থাকি। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর উন্নয়নকল্পে কাজ করাই আমার ভবিষ্যৎ টার্গেট।”
নির্বাচনে প্রথমবারের মত মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ার ব্যাপারে তিনি সংবাদ সারাক্ষণকে আরও বলেন, এলাকার মানুষ অবশ্যই যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিবে, এটাই স্বাভাবিক। আমি মানুষের জন্য করে যাচ্ছি। ভালুকা অঞ্চলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর কর্মী-সমর্থক, নেতাবৃন্দ সর্বোপরি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আরও সুসংগঠিত করতে ও তরুণ প্রজন্মের অন্যতম নেতা ও শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র জনাব সজিব ওয়াজেদ জয় এর পরিকল্পনায় দেশকে এগিয়ে নিতে অনেক আগ থেকেই কাজ করে যাচ্ছি। যারফলে আমি এই অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নেই অবদানও রেখেছি। মানুষও আমাকে স্মরণ করছে। এলাকাবাসীর সমর্থন, দোয়া ও ভালোবাসায় এতদূর পর্যন্ত পথ চলেছি আর ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীকে নিয়েই জীবন অতিবাহিত করবো। নির্বাচনে আমাকে দল থেকে মনোনয়ন দিলে অবশ্যই আমার এলাকাবাসী নৌকা প্রতীককেই জয়যুক্ত করবে বলে আমি শতভাগ নিশ্চিত। আমার নেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থীকেই বেছে নিবেন বলে আমি মনে করি।


জানা যায়, ভালুকা ১১ আসনে আওয়ামী লীগে নেতৃত্ব ও আধিপত্যের কারণে এই অঞ্চলে আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চরম তুঙ্গে। তবে একাধিক প্রার্থীর ভিড়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার জন্য ক্লিন ইমেজের প্রার্থী বাছাই করাই হবে আওয়ামী লীগের জন্য বড় চ্যালেঞ্চ। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এম.এ ওয়াহেদই জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বলে জানা যায়।

আর এলাকার সাধারন জনগণও মনে করেন, এম এ ওয়াহেদ এমপি নির্বাচিত হলে তার কাছে সাধারন মানুষ যেতে পারবে এবং তিনি গরীব দুঃখী মানুষের পাশে অনেক আগ থেকেই কাজ করে যাচ্ছেন বিধায় তাকে ঘিরেই প্রত্যাশা রয়েছে ময়মনসিংহ ১১ আসনের সাধারণ মানুষের। অন্যদিকে ভালুকার মানুষের ভালোবাসা ও জনসমর্থনে এগিয়ে থাকা এই নেতাও নির্বাচনে মনোনয়নের ব্যাপারে দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর সম্পূর্ণ আস্থাশীল।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / মুহাম্মদ গাজী তারেক

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা