yeal

ব্যাংকার খবিরুজ্জামান এর একটি মাত্র স্বপ্ন ছিল, শুধুমাত্র উচ্চবিত্তদের জন্য ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল না হয়ে মধ্যবিত্তেরও সাধ্যের ভিতর মান সম্পন্ন একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা যেখানে থাকবে নিজস্ব সংস্কৃতি ও মানবীয় গুনাবলী অর্জনের আদর্শ ও নৈতিক শিক্ষা। সেই লক্ষ্যে চাকুরী থেকে অব্যহতির পর ২০০০ সালে উত্তরা ৩ নং সেক্টর এ প্রতিষ্ঠা করেন ইয়েল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সন্তানরা অবলীলায় ভর্তি হয়েছেন এবং এখনও হচ্ছেন।

ইয়েল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষার্থীরা ব্রিটিশ কারিকুলাম এর সাথে সাথে পাচ্ছে বাংলা নিজস্ব সংস্কৃতি ও ধর্মীয় শিক্ষা, আছে পর্যাপ্ত সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম ও খেলাধূলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। হঠাৎ সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান ব্যাংকার খবিরুজ্জামান। তখন তাঁর একমাত্র পুত্র ব্যারিস্টার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান এসে হাল ধরেন ইয়েল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের। বাবার আদর্শ এবং পরিকল্পনাকে পুঁজি করে তাঁর কাজকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়াটিই ছিল তরুণ ব্যারিস্টার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান এর একমাত্র চ্যালেঞ্জ।

তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে স্কুলটি হয়ে উঠেছে উত্তরা তথা ঢাকার অন্যতম নামকরা স্কুলের একটি। প্রতিষ্ঠার একযুগ পরে একাধিক ভবনে প্রচুর শিক্ষার্থী আজ সুনামের সাথে লেখাপড়া করছে। প্রিন্সিপ্যাল ব্যারিস্টার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান এর কাছে উত্তরা নিউজ এর প্রতিনিধির প্রশ্ন ছিল এই সাফল্যের পিছনে কার অবদান বেশী। তিনি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে উল্লেখ করেন স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা তাঁর বাবা মরহুম খবিরুজ্জামান ও এই স্কুলের শিক্ষকদের কথা। স্কুলটির বিভিন্ন ভবন ঘুরে এর শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে আলাপ করে দেখা গেল সবার মুখেই ব্যারিস্টার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান এর প্রশংসা। প্রতিটা ভবনে দেখা গেল আধুনিকতার ছোঁয়া ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। তাঁর বাবার স্বপ্নকে সত্যিকারেই লালন করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন স্কুলটিকে।

শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও ব্রিটিশ কাউন্সিল অনুমোদিত এই প্রতিষ্ঠানের ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা ক্যামব্রিজ এসেসমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। এসব আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করছে এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা। যার স্বীকৃতি স্বরূপ “ডেইলি স্টার” এওয়ার্ড অর্জন করেছে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ব্যারিস্টার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান কে প্রশ্ন করা হলো আইন পেশা ও স্কুল দুইটিকে সমন্বয় করেন কিভাবে। তিনি হেসে বলেন সারাদিনই তাঁর কঠিন সময় পার করতে হয়। সকালে স্কুলের জন্য ব্যস্ত সময় এবং বিকেলে আইন পেশার জন্য চেম্বারে সময় দিতে হয়।

কাজের ভিতর ডুবে থাকতে তিনি পছন্দ করেন। আর কাজের সার্থকতা তখনই হয় যখন তাঁর স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভাল রেজাল্ট করে। বাবার স্বপ্নকে আরো বাস্তব রূপ দেওয়ার জন্য খুব তাড়াতাড়ি ইয়েল ইন্টারন্যাশনার স্কুল তাঁর নিজস্ব ক্যাম্পাসে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করলেন প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। তাঁর মতে বিশ্বাস, সাহস এবং মেধা এই তিনের সমন্বয়ে গড়ে উঠে একটি সফল প্রজন্ম।



উত্তরানিউজ২৪ডটকম / টি/কে

recommend to friends
  • gplus

পাঠকের মন্তব্য

ফেসবুকে আমরা