জাতীয়

pm-20190116165234

মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং আলোচনার মাধ্যমে সঙ্কট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, মুসলিম উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। যদি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়, তাহলে সংঘাতে না গিয়ে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

বুধবার (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাফর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সংঘাতের কারণে মুসলিম দেশগুলোর জনগণকে ভোগান্তি পোহানোর কথা উল্লেখ করেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার দারিদ্র্য কমিয়ে ২১ শতাংশে নামিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে আরও ৪/৫ শতাংশ কমিয়ে আনা সরকারের লক্ষ্য।

‘গ্রামকে কেন্দ্র করেই সরকারের উন্নয়ন নীতি,’ বলেন তিনি।

বাংলাদেশে বিদ্যমান ধর্মীয় সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে এবং ধর্মীয় উৎসবগুলোতে সবাই অংশগ্রহণ করে।

 

এ সময় ইরানের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং দেশটির জনগণের সাহসের প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে নবনিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

রাষ্ট্রদূতের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাধ্যমে ইরানের প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি ১৯৯৭ ও ২০১২ সালে ইরান সফরের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের বিপুল বিজয়ের প্রশংসা করেন নবনিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত। শেখ হাসিনাকে জ্ঞানী এবং দূরদর্শী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত নাফর বলেন, আপনার প্রতি ইরানের জনগণের ভালোবাসা রয়েছে। স্বল্পন্নোত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান নাফর।

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

delhi

কাশ্মীর থেকে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম শীর্ষ স্থান দখল করে নজরে এসেছিলেন শাহ ফয়জ়ল। ‘কাশ্মীরিদের হত্যা’ও ‘হিন্দুত্ববাদীদের হাতে মুসলিমদের কোণঠাসা হওয়ার’প্রতিবাদে গতকাল সিভিল সার্ভিস থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।

 

রাজনৈতিক সূত্রের খবর, ন্যাশনাল কনফারেন্সে যোগ দেবেন ফয়জ়ল। তাকে রাজনীতিতে স্বাগত জানিয়েছেন ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রধান ওমর আবদুল্লাহ।

কুপওয়ারার সোগাম লোলাব এলাকার বাসিন্দা ফয়জ়ল সম্প্রতি আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে ফিরেছেন। এখন পোস্টিংয়ের অপেক্ষায় ছিলেন এই তরুণ আইএএস। কিন্তু আমেরিকায় থাকাকালীনই সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টের জন্য তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার।

দেশে ধর্ষণের একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি টুইটারে লেখেন, ‘‘জনসংখ্যা, পিতৃতন্ত্র, অশিক্ষা, মদ, পর্নোগ্রাফি, প্রযুক্তি ও অরাজকতার ফলে দেশ রেপিস্তান হয়ে গিয়েছে।’

এরপরে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৫এ ধারাকে ভারত ও ওই রাজ্যের মধ্যে ‘বিয়ের দলিল’-এর সঙ্গে তুলনা করেন তিনি।

গতকাল সর্বশেষ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে ফয়জ়ল লিখেছেন, ‘কাশ্মীরিদের হত্যা থামাতে সদিচ্ছা দেখাচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের বিশেষ মর্যাদার উপরেও আঘাত হানার চেষ্টা হচ্ছে। হিন্দুত্ববাদীদের চাপে দেশের ২০ কোটি মুসলিম কার্যত দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিণত হয়েছেন। এর প্রতিবাদে সিভিল সার্ভিস থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের কড়া সমালোচনাও করেছেন ফয়জল। তার কথায়, ‘রিজার্ভ ব্যাংক, সিবিআই, এনআইএ-র মতো প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ এ দেশের সাংবিধানিক কাঠামোকে নষ্ট করে দিতে পারে। আমি ফের জানাতে চাই, দেশের শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে বেশি দিন চুপ করিয়ে রাখা যাবে না।’

এর পরেই ফয়জ়লের রাজনীতিতে যোগদান নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফয়়জ়লের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ওমর আবদুল্লাহ লেখেন, ‘আমলাতন্ত্রের ক্ষতি হলেও রাজনীতির লাভ হলো। রাজনীতিতে স্বাগত।’

সংবাদমাধ্যমের একাংশ দাবি করে, ফয়জ়ল  ন্যাশনাল কনফারেন্সে যোগ দিয়েছেন। পরে ওমর একটি পোস্টে লেখেন, ‘আমি ফয়জ়লকে রাজনীতিতে স্বাগত জানিয়েছি। তার রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা তিনিই জানাবেন।’

ফয়জ়ল জানান, শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানাবেন তিনি।

হুরিয়ত নেতা মিরওয়াইজ উমর ফারুক টুইটারে লেখেন, ‘কাশ্মীরিদের হত্যার প্রতিবাদে ইস্তফা দেওয়াকে স্বাগত জানাই। আশা করি, হত্যার প্রতিবাদ জানাতে ফয়জ়ল উপযুক্ত রাজনৈতিক মঞ্চই বেছে নেবেন।’

ন্যাশনাল কনফারেন্স সূত্রে খবর, লোকসভা ভোটে বারামুলা কেন্দ্র থেকে ফয়জ়লকে প্রার্থী করতে পারে ওমরের দল।

গতকাল কাশ্মীরে আলোচনা শুরু নিয়ে ফের মোদি সরকারকে আক্রমণ করেন ওমর ও পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি। এ দিনই আফগানিস্তানে তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার পক্ষে সওয়াল করেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত।

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

turag

আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) তুরাগ থানার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ইতি মধ্যে প্রচার- প্রচারনা শুরু করে দিয়েছেন তুরাগ থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, আগামী দিনে নিজের জীবন বাজী রেখে হলেও আমার নির্বাচনী ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি জনগনের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাবো। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের পাশে থেকে তাদের সুখ, দু:খে সেবা করতে চাই। অধীক জনবহুল, ঘনবসতিপূর্ণ ও ব্যস্ততম এলাকার নাম রাজধানীর তুরাগ থানার হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ। আমার আগামী দিনে ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসির জন্য এই হোক আমার সমাজ ও দেশ গড়ার অঙ্গীকার।
আজ মঙ্গলবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ’’ ও জাতীয় সাপ্তাহিক উত্তরা নিউজের সাথে’’ একান্ত স্বাক্ষাতকারে ডিএনসিসি’র ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও তুরাগ থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়ামের অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এবং ঢাকা-১৮ আসনের সর্বস্তরের মানুষের প্রাণ, সফল ব্যক্তিত্ব এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (এমপি) সার্বিক সহযোগিতায় আমরা উন্নয়নের ধারপ্রান্তে এসে পৌছাতে পেরেছি।


আমার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের উন্নয়নের একটি মাইলফলক হিসেবে জনগনের সামনে ধারাবাহীক উন্নয়নের এর ধারা আগামী দিনে অব্যাহত রাখতে পারবো বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কাউন্সিলর প্রার্থী আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন।
মুষলধারে বৃষ্টিপাত হলে জলাবদ্বতার সৃষ্টি সহ আমার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা এবং বাসা বাড়িতে পানি উঠে যায়। তখন শিশু, মহিলা ও শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। আমি জনগনের ভোটে কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হলে সবার আগে এসব সমস্যা সমাধান করার হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন আরো বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক দেশও জাতির শত্রু। বর্তমান সরকার কঠোর হস্তে এগুলো দমন করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচেছন। আগামী দিনে আসন্ন ডিএনসিসির কাউন্সিলর নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার নির্বাচনী ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডবাসির উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। সবাইকে পাশে রাখতে চাই। সকলে মিলে মিলে এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ ও সেবা করতে চাই। আমি আপনাদের পাশে আছি, ছিলাম এবং ভবিষ্যতে ও থাকবো।
তুরাগ বাসির উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, তুরাগের রাস্তাঘাট, কালবার্ট, ব্রিজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, সরকারী স্কুল কলেজ, সরকারী হাসপাতাল ও ড্রেনের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আরো উন্নয়ন করা হবে এবং উন্নয়নের ধারা পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।
রাজনৈতিক ও পারিবারিক জীবন প্রসঙ্গ তুলে ধরে কাউন্সিলর প্রার্থী আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, আমি ১৯৫৯ সালে তুরাগের হরিরামপুর ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করি। আমার ছোট ভাই মো: নাসির উদ্দিন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও টঙ্গী সরকারী কলেজে ছাত্রলীগের ক্রীড়া ও সাংস্কুতিক সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া আমার ছোট ভাই মো: জসিম উদ্দিন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন সবার বড়।
তিনি আরো বলেন, আমার পরিবার হলো রাজনৈতিক দলের পরিবার। আমার পরিবারের সকলে আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত । বর্তমানে আমি তুরাগ থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দলের জন্য সততা ও নিষ্টার সাথে কাজ করে যাচিছ। আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি’র) ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচার ও প্রচারনা চালাচিছ।
রাজনীতিতে আসার কারণ ও রাজনৈতিক গুরু প্রসঙ্গে উল্লেখ করে আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার আদর্শকে মনেপ্রাণে ভালবেসে জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামীলীগ কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছি।
তিনি বলেন, আমার রাজনীতিতে আসার পর্দারপণ, রাজনৈতিক হাড়েগড়ি শুরু হয় বীরমুক্তিযোদ্বা মো: আবুল হাসিম চেয়ারম্যানের হাত ধরে। তিনি একজন তৃণমূল পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা। তিনি আমার (রাজনৈতিক গুরু)। তার আদর্শ ও কর্মকান্ডকে মনেপ্রানে ভালবেসে রাজণীতিতে আমার আগমন হয়।
তিনি বলেন, এছাড়া আমি ফুলবাড়িয়া বাইতুল ফালা জামে মসজিদের দাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুল কলেজ, মসজিদ মাদ্রাসা, এতিমখানা সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত আছি।
৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনগনের উদ্দেশ্যে আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, ঢাকা-১৮ আসনের সর্বস্তরেরর মানুষের প্রাণপ্রিয় নেত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (এমপি)র নির্দেশে আমরা দলের সবাই একত্রিত হয়ে কাজ করছি। দলের মধ্যে কোন ধরনের বিরোধ নেই। আমরা সকলের নৌকার পক্ষে শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচিছ।
তিনি আরো বলেন, তুরাগ থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, আসন্ন ডিএনসিসি (উত্তর) এর ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আমি একজন প্রার্থী হয়েছি। দল থেকে যদি আমাকে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় তাহলে অবশ্যই আমি নির্বাচনে প্রদিদ্বন্ধিতা করবো। এতে কোন সন্দেহ নেই।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য এবং ঢাকা-১৮ আসনের (এমপি) এডভোকেট সাহারা খাতুনের কোন বিকল্প নেই।
আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচছাসেবকলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, মুক্তিযোদ্বা প্রজন্মলীগ, তরুনলীগ, বাস্তহারালীগ ,মহিলা যুবলীগ ও মহিলালীগ সহ সহযোগী অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আমার সাথে আছে। আগামী দিনে ঢাকা-১৮ আসনের এমপি এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের হাতকে বেগমান ও আরো শক্তিশালী করতে তুরাগ ও হরিরামপুর ইউনিয়নের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও মানুষকে ঐক্যবদ্ব হতে হবে। এই হোক আমার আগামী দিনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সুযোগ্য কণ্যা বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার দেশ গড়ার দৃঢ প্রত্যয়।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারের শাসনামলে সারা দেশের ন্যায় তুরাগ থানা এলাকায় পরিমান উন্নয়ন হয়েছে অতীতে আর কোন সরকারের আমলে সেটি হয়নি। বর্তমান সরকার হলো উন্নযনের সরকার। জাতির জনকের কণ্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচেছ, এগিয়ে যাবে।
দেশের পদ্মাসেতু, ফ্লাইওভার ও মেট্রোরেল প্রসঙ্গে আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ মো: নাজিম উদ্দিন বলেন, দেশীয় টাকা দিয়ে সরকার পদ্মা সেতু নির্মান করছেন। বিদেশী অর্থায়নে নয়। এটা সত্যিকারে গোটা বাঙ্গালী জাতির গর্ব। এছাড়া ফ্লাইওভার ও মেট্রোরেল তৈরী করছেন সরকার। অতীতে আর কোন সরকার তার করতে পারেনি। সেজন্য আমি বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচিছ।

বিস্তারিত

বিনোদন

kader-nur

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের লেখা উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ হচ্ছে। উপন্যাসটির নাম ‘গাঙচিল’।

উপন্যাসের সঙ্গে মিল রেখে ছবিটির নাম ‘গাঙচিল’ চূড়ান্ত হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করবেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। এখানে জুটি হিসেবে দেখা যাবে ফেরদৌস-পূর্ণিমাকে।

এই সিনেমায় অভিনয় করবেন বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী, বিশিষ্ট অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর।

রোববার সকালে অভিনয় করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসাদুজ্জামান নূর নিজেই।

এ বিষয়ে পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল জানান, আসাদুজ্জামান নূরের দৃশ্যধারণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ‘গাঙচিল’ ছবির কাজ। সপ্তাহখানেকের মধ্যে যেকোনো একদিন সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন গুণী এই অভিনেতা।

‘গাঙচিল’ সিনেমায় অভিনয় নিয়ে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, এই ছবিতে আমি অতিথি চরিত্রের শিল্পী। আমার তেমন কিছুই করার নাই। শুনেছি, আমার চরিত্রটি একজন রাজনৈতিক নেতার। ফলে আমার আর অভিনয় করার কিছু নাই, জীবন থেকে নেওয়া।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘এই সিনেমার গল্পকার ওবায়দুল কাদের আমার রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক। সাধারণ সম্পাদক হওয়ার অনেক আগে থেকে তার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা। রাজনৈতিক সহকর্মীর একটা উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপ দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে অনুরোধ করেছেন। ফলে শত ব্যস্ততার মধ্যেও কাজটা করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই ছবির পরিচালকের সঙ্গে ফোনে কয়েকবার আলাপ হয়েছে। চরিত্রটি নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়নি। দু-এক দিনের মধ্যে হয়তো তা হয়ে যাবে। চরিত্রটিতে অভিনয়ের ব্যাপারে অভিনেতা ফেরদৌস (অভিনেতার পাশাপাশি ‘গাঙচিল’ ছবির প্রযোজকও তিনি) আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন। তবে মহরতে অনুষ্ঠানে থাকার সুবাদে ছবিটি সম্পর্কে সেদিন কিছু ধারণা পেয়েছিলাম।

পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল বলেন, আসাদুজ্জামান নূরের মতো গুণী শিল্পীকে নিজের ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের অভিনেতা হিসেবে পাওয়ায় সম্মানিত বোধ করছি।

তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে নাটক আর বিজ্ঞাপনচিত্র বানালেও চলচ্চিত্রে আমি একেবারেই নতুন। আমার ছবিতে নূর ভাইয়ের (আসাদুজ্জামান নূর) মতো একজন শক্তিশালী অভিনেতা অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন, এটা আমার সাহস বাড়িয়েছে। আমি অনুপ্রাণিত ও সম্মানিত বোধ করছি।

এ বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ‘গাঙচিল’ ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এই ছবিতে ফেরদৌস সাংবাদিক আর পূর্ণিমা এনজিওকর্মীর চরিত্রে অভিনয় করবেন।

 
 

বিস্তারিত

খেলাধুলা

puracol-home

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড। ৯০ হাজার ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটি বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক ও সুন্দর স্টেডিয়ামও। তবে এবার মেলবোর্নের চেয়েও বড় স্টেডিয়াম হতে যাচ্ছে বাংলাদেশে! 

পূর্বাচলের আলোচিত সেই স্টেডিয়ামটি নিয়ে এখন আর কোনো দুশ্চিন্তা নেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের। সম্প্রতি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) বিসিবিকে ৩৭ একর জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে। দেশের সর্বকালের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া অবকাঠামোর দলিল ইতোমধ্যে বিসিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই ভবিষ্যৎ স্টেডিয়ামটি বিসিবির কাছে সহজলভ্য করে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান যার, তার নামেই বোর্ড করবে স্টেডিয়ামের নামকরণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত চেষ্টায় হতে যাওয়া এই স্টেডিয়ামের নাম হবে শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ক্রীড়াপ্রেমি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এমন দারুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

পূর্বাচলে স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য বিসিবি পেয়েছে মোট ২২৫০ কাঠা জমি। আর এই বিপুল পরিমাণ জমির মূল্য ১১শ ২৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাঠাপ্রতি মাত্র ১০০ লক্ষ টাকা প্রতীকী মূল্যে বিসিবির জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে নামমাত্র খরচেই দেশের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি পাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বড় স্টেডিয়াম নির্মাণের সুযোগ।

বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই স্টেডিয়াম নির্মাণে বিসিবির খরচ হবে ৮০০ কোটি টাকা। অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামটিতে থাকবে পাঁচ তারকা হোটেল, সুইমিংপুল সহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সকল ধরনের সুবিধাদি।

অবশ্য ক্রিকেট পাড়ায় একেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম বলে আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। যদিও সম্প্রতি ভারতের আহমেদাবাদে ১ লক্ষ ১০ হাজার ধারণক্ষমতার একটি স্টেডিয়াম নির্মিত হচ্ছে। আপাতত পূর্বাচল স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ধরে রাখা হয়েছে ১ লক্ষ। সেক্ষেত্রে হয়ত মেলবোর্নকে ছাড়িয়ে গিয়েও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়ামের তকমা নিয়েই থাকতে হতে পারে শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে।

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

water-guaba-market

সকাল ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে ভীমরুলির হাট। চাষীরা ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় করে নৌকাভর্তি শত শত মণ পেয়ারা নিয়ে আসেন বিক্রির জন্য। পাইকাররা বড় নৌকা বা ট্রলার নিয়ে পেয়ারা কিনতে আসেন। এই হাটে প্রতিদিন আড়াই হাজার মণেরও বেশি পেয়ারা বিক্রি হয়। আড়াইশ’ থেকে তিনশ’ টাকায় বিক্রি হয় প্রতিমণ।

যারা কেরালার ব্যাকওয়াটার দেখে আফসোস করেন বা থাইল্যান্ডের ফোটিং মার্কেটে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছেন, তারা পেয়ারার মৌসুমে একবার ঘুরে আসতে পারেন ভাসমান পেয়ারার বাজার থেকে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পেয়ারার ভরা মৌসুম। সবুজ কতটা গাঢ় হতে পারে, মানুষের জীবনধারন কতটা প্রকৃতি বান্ধব ও সাবলিল হতে পারে, তা উপভোগ করতে আপনিও বেড়িয়ে আসুন বরিশালে।

রিভারাইন এ্যগ্রো বেইজড কমিউনিটি ট্যুরিজমের এক অনন্য গন্তব্য হতে পারে এই ভীমরুলি ভাসমান বাজার, যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে পর্যটকদের জন্য সুব্যবস্থা, ভাসমান প্রমোদতরী, ভাসমান আবাস ব্যবস্থা  (ফ্লোটিং হোম), নিয়মিত নৌ ভ্রমণ ব্যবস্থা। এই অঞ্চলে পর্যটক সমাগম ঘটলে স্থানীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে কর্মসংস্থান, টেকশই হবে গ্রামীণ অর্থনীতি, সমৃদ্ধ হবে পর্যটন শিল্প।

কিভাবে যাবেন:

ঢাকা সদর ঘাটে থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় হুলারহাটের উদ্দেশ্যে ৩-৪ টি লঞ্চ ছেড়ে যায়। ভাড়া ডেক-২০০ টাকা,  সিঙ্গেল কেবিন : ৯০০-১০০০ টাকা। লঞ্চে উঠে নেছারাবাদ বা স্বরূপকাঠি নামবেন। এর আগের স্টপেজ বানারীপাড়াতেও নামতে পারেন। এরপর ট্রলার ভাড়া নেবেন ৫-৬ ঘন্টার জন্য। নেছারাবাদ খাল হয়ে আটঘর, কুরিয়ানা ঘুরে ভীমরুলি বাজার। ভিমরুলি বাজারে গিয়ে দেখবেন খালের মধ্য শত শত পেয়ারার নৌকা। ইচ্ছে করলে কিনতে পারবেন পেয়ারা। এরপর আবার খানিকটা ঘুরে কুরিয়ানা বাজারে দুপুরের খাবার খেতে পারেন। কুরিয়ানা থেকে ভ্যানে করে রায়েরহাট আসলে বরিশাল যাবার বাস পাবেন। পথে গুঠিয়া মসজিদ দেখে বরিশাল গিয়ে ঢাকার লঞ্চ ধরতে পারবেন।

আবার ঢাকা থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় লঞ্চ/ষ্টিমারে উঠে সকালে পৌছে যেতে পারেন বরিশালে অথবা ঢাকা থেকে বাসে বরিশাল গিয়ে সেখান থেকে অটোতে জগদীশপুর বাজার যেতে পারেন। এরপর ট্রলার রিজার্ভ করে সারাদিন ঘুরতে পারেন। ভাড়া পড়বে ২০০০-২৫০০ টাকা। তবে আগে থেকে ট্রলার ঠিক করে রাখতে হবে। এছাড়া নতুন সংযোজন হয়েছে দ্রুতগামী আরও একটি ওয়াটার বাস যা সকলে ঢাকা ছেড়ে দুপুরে পৌঁছে বরিশাল আবার দুপুরে বরিশাল ছেড়ে সন্ধ্যায় পৌঁছে ঢাকায়।

মনে রাখবেন

ভাসমান পেয়ারার বাজার বসে শুধুমাত্র বর্ষাকালে আটঘর কুরিয়ানার ভীমরুলি সহ আশেপাশের কয়েকটি খালে।

সবজি ও চালের ভাসমান বাজার বসে বৌকাঠি ও বানারী পাড়ায় বছর ব্যাপী প্রতি সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার। হার্থা,উজিরপুরে প্রতি রবিবার ও বুধবার, আটঘর, বৌকাঠি ও স্বরুপকাঠিতে প্রতি সোম ও মঙ্গলবার।

এছাড়া নৌকা কেনা বেঁচার ভাসমান বাজার বসে বর্ষাকালে প্রতি শুক্রবার।

সতর্কতা

  • বেড়াতে যেয়ে পরিবেশ বিনষ্ট হয় এমন
  • কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকুন।
  • ময়লা, আবর্জনা ও খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল ইত্যাদি মাটিতে ফেলবেন না।
  • ধারন ও ক্ষমতার বাইরে বেশী মানুষ কোন নৌযানে উঠবেন না।
  • নৌ ভ্রমণে লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করুন
  • প্রয়োজনে স্থানীয় গাইডের সহায়তা নিন।
  • স্থানীয় মানুষের ক্ষতি হয় এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন।
  • সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় মূল্যবোধ স্থানীয় জনগনকে আঘাত করে এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন।
  • যেকোন প্রয়োজনে প্রশাসনের সহায়তা নিন অথবা যোগ্য ভ্রমণ সংস্থার সহায়তা নিন

লেখক-মহিউদ্দিন হেলাল

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৭